ঢাকা      শনিবার ২৩, মার্চ ২০১৯ - ৯, চৈত্র, ১৪২৫ - হিজরী

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ড. কনক কান্তি

বিএসএমএমইউকে গবেষণায় সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে: ড. কনক কান্তি

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেছেন, আজকের বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আমাদের সকলেরই একটা শপথ নিতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সবাই মিলে কিভাবে চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষণায় সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা যায়, এই শপথ আমাদেরকে নিতে হবে। এমনকি সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়ে উন্নত বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করতে হবে। 

বৃহস্পতিবার (১০ই জানুয়ারি) জাতির জনকের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বি-ব্লকে বঙ্গবন্ধুর ম্যূরালে পুষ্পস্তবক অপর্ণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এছাড়া তিনি বলেন, রোগীরা যে আশা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন তা পরিপূর্ণভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় অর্জিত হলেও ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। 

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর লন্ডনে সাংবাদিকরা যখন বলেছিলেন, ধ্বংসস্তুপে পরিণত বাংলাদেশকে নিয়ে আপনি কি করবেন? জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেছেন, যদি বাংলাদেশের মানচিত্র থাকে, বাংলার জনগণ থাকে তবে স্বাধীন বাংলাদেশ একদিন সুখী, সমৃদ্ধ সুজলা, সুফলা বাংলাদেশে পরিণত হবে। বঙ্গবন্ধুর সেই কথা আজ বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাস্তবায়ন হচ্ছে।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ শহীদুল্লাহ সিকদার, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এ বিএম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল আজিজ, রিউমাটোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ডা. জিল্লুর রহমান ভূঁইয়া, পরিচালক (হাসপাতাল) বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ আব্দুল্লাহ আল হারুন, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোঃ আব্দুস সোবহান প্রমুখসহ শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্স, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট ও কর্মচারীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

সরকারি মেডিকেলে চান্স না পাওয়ায় অনেক অপমান সইতে হয়েছে

সরকারি মেডিকেলে চান্স না পাওয়ায় অনেক অপমান সইতে হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজের ২০১৮ সালের নভেম্বরের এমবিবিএস ফাইনাল প্রফে…

যুক্তরাষ্ট্রে রেসিডেন্সি পেলেন অর্ধ শতাধিক বাংলাদেশি চিকিৎসক

যুক্তরাষ্ট্রে রেসিডেন্সি পেলেন অর্ধ শতাধিক বাংলাদেশি চিকিৎসক

মেডিভয়েস রিপোর্ট: চলতি বছর অর্ধ শতাধিক বাংলাদেশি চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কসহ একাধিক অঙ্গরাজ্যে…

ডা. রাজনকে হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

ডা. রাজনকে হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি…

ডাক্তার হওয়া হলো না আবরারের!

ডাক্তার হওয়া হলো না আবরারের!

মেডিভয়েস রিপোর্ট: রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে আলোচিত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আবরারের স্বপ্ন…

বিএসএমএমইউর সহকারী অধ্যাপক ডা. রাজন কর্মকার আর নেই

বিএসএমএমইউর সহকারী অধ্যাপক ডা. রাজন কর্মকার আর নেই

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগের…

চিকিৎসকদের পদোন্নতি দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চিকিৎসকদের পদোন্নতি দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মেডিভয়েস রিপোর্ট: চিকিৎসকদের পদোন্নতি দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর