২১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০৪:১১ পিএম
আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেলে ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়ে সেমিনার

চিকিৎসক ও রোগী উভয়কেই সচেতন হতে হবে

চিকিৎসক ও রোগী উভয়কেই সচেতন হতে হবে

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ক্যান্সার হলেই পুরো ব্রেস্ট কেটে ফেলতে হবে না। ব্রেস্ট কেটে ফেললে বা অ্যাক্সিলা থেকে সমস্ত লিফনোড ফেলে দিলে রোগী বেঁচে যাবে এমন ধারণা ভুল। রোগীরা আরলি কনজারভেটিভ সার্জারি করালে ভালো থাকে, ব্রেস্টও কেটে ফেলতে হয় না। 

বৃহস্পতিবার আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজের এক সেমিনারে প্রতিষ্ঠানের সার্জারি বিভাগের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর ডা. আলী নাফিসা এসব কথা বলেন।

আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজের ব্লক-এ এর (লেকচার গ্যালারী-১) মেডিক্যাল অ্যাডুকেশন ইউনিট অ্যান্ড জার্নাল ক্লাব কমিটি কর্তৃক আয়োজিত ব্রেস্ট ক্যান্সার আরলি ডিটেকশন অ্যান্ড রুল অব ব্রেস্ট কনজারভেটিভ সার্জারি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। 

সেমিনারে অর্থোপেডিক সার্জারির অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর মুরাদের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন অনকোলজি বিভাগের হেড প্রফেসর এহতেসাম, সার্জারি বিভাগের হেড আব্দুস সালাম আরিফ, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের হেড প্রফেসর কামাল হোসেন, প্রফেসর ফিরোজ কাদের, প্রখ্যাত কার্ডিওলজিস্ট প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মাহমুদুর রহমান সিদ্দিকীসহ শিক্ষার্থীরা।   

ডা. আলী নাফিসা বলেন, বাংলাদেশে ব্রেস্ট ক্যান্সারের কোনো গাইডলাইন নেই। সেক্ষেত্রে আমাদের চিকিৎসক ও রোগী উভয়কেই সচেতন হতে হবে। আমাদের দেশে ৩৫-৪০ বছর বয়সী রোগীদের ব্রেস্ট ক্যান্সার বেশি হয়। তারা লক্ষণ না পাওয়া পর্যন্ত চিকিৎসকের কাছে যেতে চায় না। ৩৫ বছরের সবারই চেকআপ করা প্রয়োজন। এবং প্রতি ৩ বছর পরপর চেকআপ করলে নিশ্চিন্তে থাকা যায়। এটা দ্রুত ধরা পরলে চিকিৎসা ভালো হবে। এটা ছোঁয়াচে কোনো রোগ নয়। তবে জেনেটিক কারণে শতকরা ৫-১০ ভাগ সমস্যা হতে পারে।     

এছাড়াও সেমিনারে অনকোলজি বিভাগের হেড প্রফেসর এহতেসাম, সার্জারী বিভাগের হেড আব্দুস সালাম আরিফ তাদের বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

সেমিনারে স্পন্সর ছিল ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি