ঢাকা      শনিবার ২৩, মার্চ ২০১৯ - ৯, চৈত্র, ১৪২৫ - হিজরী

কনজারভেটিভ ব্রেস্ট সার্জারির জন্য আর দেশের বাইরে যেতে হবে না- ডা. আলী নাফিসা

ব্রেস্ট ক্যান্সার চিকিৎসায় হাইড্রোমার্কারের ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যা পৃথিবীর অন্যতম দেশগুলোতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটা প্রায় ৪০ বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। কিন্তু বাংলাদেশে এর ব্যবহার মাত্র শুরু হয়েছে। গত ১১ ডিসেম্বর এটা রোগীর উপর প্রয়োগ করেছেন আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর ডা. আলী নাফিসা। তিনি তার অভিজ্ঞতা মেডিভয়েসের সাথে সরাসরি শেয়ার করেছেন। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন আহসান হাবিব

মেডিভয়েস: হাইড্রোমার্কারের ইতিহাসটা জানতে চাই?

ডা. আলী নাফিসা: ব্রেস্ট কনজারভিং সার্জারির জন্য হাইড্রোমার্কারের প্রয়োজন হয়। যখন স্তন না কেটে শুধুমাত্র টিউমারটাকে ফেলে দেয়া হয় সেটাকে ব্রেস্ট কনজারভিং সার্জারি বলা হয়। এটা প্রায় ৪০ বছর আগে থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। বাংলাদেশে এই প্রথম আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এটার ব্যবহার হলো। প্রফেসর ডা. এসকে ফরিদ আহমেদ বাংলাদেশে ওনার এক রোগির জন্য যুক্তরাজ্য থেকে এটা আমাদের কাছে পাঠিয়েছেন। একটা টিউমারের মাত্রা যখন ৪ সে.মি এর নিচে হয় তখন আমরা কনজারভিং সার্জারি করি। যখন টিউমার আরও বড় হয় তখন আমরা টিউমার সাইজটা ডাউন স্টেজিং করি। এটা করতে গিয়ে রোগিকে তিনটা থেকে ছয়টা কেমোথেরাপি দিতে হয়। কেমো রেসপন্স ভালো হলে টিউমার ১ সে.মি বা তার চেয়েও ছোট হয়ে আসে। আবার অনেক সময় মেল্ট হয়ে যায়। তখন আমরা টিউমার খুঁজে পাই না। এটাকে খুঁজে পাওয়ার জন্যই আমরা হাইড্রোমার্কার টিউমারের সেন্টারে প্লেস করি। ফলে পরবর্তিতে আমরা টিউমার সাইটটা সহজেই বুঝতে পারি।

মেডিভয়েস: যে রোগির ক্ষেত্রে এটা আপনারা ব্যবহার করলেন তার সম্পর্কে কিছু বলুন?

ডা. আলী নাফিসা: আমরা যে রোগির ওপর এটা এপ্লাই করেছি তিনি সৌদি আরব প্রবাসি ছিলেন। দেড় বছর আগে তার এ সমস্যা দেখা দেয়। এরপর তিনি ডাক্তারের স্মরনাপন্ন হন। ডাক্তার পরীক্ষা করে তাকে বলে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু দেড় বছর পর তার মনে হয়েছে, টিউমারের সাইজটা বড় হয়েছে। তখন তিনি আমাদের এখানে আলট্রাসনো করেন। রিপোর্টে দেখা গেলো, তার টিউমারের সাইজ হয়েছে ৬ সে.মি। বাংলাদেশে একটা কমন রীতি আছে যে, টিউমারের মাত্রা ৬ সে.মি হলে পুরো ব্রেস্ট কেটে ফেলতে হবে। যখন রোগিটা ব্রেস্ট কেটে ফেলার বিষয়টা মেনে নিতে পারছিলো না তখন তিনি প্রফেসর ডা. এসকে ফরিদ আহমেদের স্মরনাপন্ন হন। প্রফেসর ফরিদ ১৮ বছর ধরে ব্রেস্ট সার্জন হিসেবে যুক্তরাজ্যে কাজ করছেন। তিনি যখন বাংলাদেশে আসেন তখন রোগিটাকে দেখেন। তিনি রোগিকে কেমোথেরাপি নিতে বলেন।

তিনটা কেমো দেয়ার পরে টিউমার সাইজ ৬ সে.মি থেকে ৩ সে.মি তে নেমে আসে। কেমোথেরাপির নিয়ম হলো, কেমোথেরাপি দিলে ছয়টা দিতে হবে। এখন বাকি তিনটা দিতে থাকলে টিউমার হয়ত ১ সে.মি তে চলে আসবে। কিংবা পুরোটা মেল্ট হয়ে যাবে। এখন প্রশ্ন হলো, টিউমার পুরোটা মেল্ট হলে কোন স্থানে ব্রেস্ট কোনজারভিং সার্জারি করবো? এই সঠিক স্থান নির্ধারনের জন্যই আমরা তখন ৩ সে.মি টিউমারের সেন্টারে হাইড্রোমার্কার ব্যবহার করি। আমাদের এখন একটা গাইডওয়্যার আছে। সেটা ওখানে পুট করে সার্জনকে গাইড দিলে সে অপারেশন করবে। এটা সুন্দর একটা সিস্টেম।

মেডিভয়েস: ব্রেস্ট টিউমারের এই চিকিৎসার পুরো পদ্ধতি সম্পর্কে সংক্ষেপে জানতে চাই?

ডা. আলী নাফিসা: প্রথমে কেমোথেরাপি দিতে হবে। এরপর এমআরআই করে দেখতে হবে যে, টিউমার সাইজটা কতটুকু। থেরাপি সম্পন্ন হয়ে গেলে আমরা রোগিকে ফিট করবো। ফিটনেস সহ সবকিছু ঠিক আছে কী-না চেক করবো। অপারেশনের দিন সকালে আমরা একটা গাইডওয়্যার পুট করবো, আলট্রাসনোগাইডেড। ঐটা একটা অথবা দুইটা লাগে ফিল্ডে। তখন হাইড্রোমার্ককে গাইড করে দেখা যাবে যে, টিউমার নাও থাকতে পারে অথবা সেন্টিমিটারেও থাকতে পারে। তারপর সকালে ওয়াইড দেয়ার পরে আমরা ওয়াইডলি এক্সসাইজ করবো এবং মার্জিনটা ক্লিয়ার হয়েছে কী-না দেখবো। এটা আমাদের এসথোটিক পার্ট। এরপর আমরা সেফটি মার্জিনটা দেখবো ঠিক আছে কী-না? তখন আমরা এক্সরে করি। সেটা করে দেখব যে, আমরা রেডিওলজিক্যালি পুরোটা আনতে পেরেছি কী-না? এরপর আমরা ডিসেকশন করবো। এরপর রোগির কেমো হয়ে গেলে আমরা রেডিওথেরাপিতে যাব।

মেডিভয়েস: কোন বিশেষজ্ঞরা এই চিকিৎসা করতে পারবেন?

ডা. আলী নাফিসা: এটা মাল্টিডিসিপ্লেনারি এপ্রোচ। রেডিওলজিস্টরা এটার সাইজ, অনকোলজিস্টরা এটার গ্রেডিং, রিসেপ্টরিস্ট্যাটাস, কেমোর ব্যবহার, সার্জনরা টিউমার সাইজটা কতটুকু হলে অপারেশন করা যাবে এসব বলবে। এটা সবাই মিলে বসে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এটা দেয়ার জন্য রেডিওলজিস্টগাইড অবশ্যই লাগবে।

মেডিভয়েস: এই চিকিৎসার বিশেষ সুবিধা কী?

ডা. আলী নাফিসা: এটার মাধ্যমে আমরা ব্রেস্টটা রক্ষা করতে পারবো। রোগি পুরো ব্রেস্ট হারালে সাইকোলজিক্যাল সমস্যায় ভুগবে। আমরা ক্যান্সার চিকিৎসা করতে গেলে প্রথমে রোগিরসার্ভাইভাল বেনিফিটের প্রতি নজর দিই। আমরা রোগিকে বাঁচানোর চেষ্টা করি। এটা প্রমানিত যে, ব্রেস্ট কনজারভিং সার্জারি প্লাস রেডিওথেরাপির যে আউটকাম, আর পুরো ম্যাস্টেকটোমি করার যে আউটকাম তা সেম। এটা কোনো সার্ভাইভাল বেনিফিট না যে, আমরা ব্রেস্টটা ফেলে দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। সুতরাং যেখানে আমার আউটকাম সেম সেখানে কেনো আমি আমার একটা অর্গান হারাবো?

মেডিভয়েস: এটার কোনো সাইড ইফেক্ট আছে কী-না?

ডা. আলী নাফিসা: সাইড ইফেক্ট তেমন নেই। এটা শুরু হলে রোগি কিছুটা ব্যথা অনুভব করে।

মেডিভয়েস: রোগের মাত্রাটা কোন পর্যায়ে গেলে হাইড্রোমার্কার ব্যবহার করা যায়?

ডা. আলী নাফিসা: আমাদের যখন একটা ব্রেস্ট কনজারভিং সার্জারি করার প্ল্যান থাকবে এবং টিউমার সাইজটা আমাদের ব্রেস্ট কনজারভিং সার্জারি চেয়ে বড় থাকবে তখন আমরা এটা ব্যবহার করতে পারি।

মেডিভয়েস: এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা ব্যয় কতো?

ডা. আলী নাফিসা: আল্ট্রাসনোগাইডেড করতে মোটামুটি একটা খরচ হয়। এই চিকিৎসা সম্পন্ন করতে যে ইন্সট্রুমেন্ট প্রয়োজন তা বাংলাদেশে এখনও এভেইলেবল হয়নি। এজন্য একচ্যুয়াল খরচ বলাটা কঠিন। তবে মর্ডানে আমরা এটা কমার্শিয়ালি আনার চেষ্টা করছি।

মেডিভয়েস: দেশে এই চিকিৎসা পদ্ধতির ভবিষ্যত কেমন?

ডা. আলী নাফিসা: বাংলাদেশের অনেক রোগি ব্রেস্ট কনজারভিং সার্জারি করার জন্য বিদেশে যায়। তাদের ধারণা এই চিকিৎসা দেশে নেই। সিঙ্গাপুরে শুধুমাত্র এটার অপারেশন করতে প্রায় ৩২-৩৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়। থাইল্যান্ডে ১৬-১৭ লক্ষ টাকা লাগে। আমাদের দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বাইরের দেশে চলে যাচ্ছে। আমরা এই চিকিৎসা আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুরু করেছি। আশা করি রোগিদের দেশের বাইরে যেতে হবে না। আমরা যারা এটা নিয়ে কাজ করছি তারা সকলেই উচ্চ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। আমরা যার কাছ থেকে ট্রেনিং নিয়েছি তিনি যুক্তরাজ্যে প্রায় ১৮ বছর ধরে এই রোগিদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। আমরা ইউকের প্রটোকল অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়ার চেষ্টা করছি।

মেডিভয়েস: সরকারি পর্যায়ে এ চিকিৎসাটা আসার সম্ভাবনা কতটুকু? কবে নাগাদ আসতে পারে?

ডা. আলী নাফিসা: সরকার আন্তরিক হলে এটা দ্রুত সম্ভব। আমি আশা করি সরকারি পর্যায়েও হবে। এটা সরকারের সদিচ্ছার ব্যপার। বাংলাদেশে এই চিকিৎসার প্রচলন খুব দ্রুতই ছড়িয়ে পড়বে বলে আমি আশা করছি।

মেডিভয়েস: ব্রেস্ট টিউমারের চিকিৎসায় আর কী কী প্রসেস আছে?

ডা. আলী নাফিসা: বাংলাদেশে কিছু জায়গাতে বায়োপসি করানো হয়। ক্যান্সার চিকিৎসা শুধু যে টিউমারের তা না। এক্সিলারও একটা ব্যপার আছে। আমাদের বগলের নিচে যে লিম্ফ নোড আছে এগুলো তিন ভাবে অপারেশন হয়।

প্রথমত: পুরো অক্সিলারি ক্লিয়ারেন্স করে ফেলি।

দ্বিতীয়ত: স্যাম্পল অপারেশন।

তৃতীয়ত: এসএনবি।

তবে রোগি ভেদে অপারেশনের একটা গাইডলাইন আছে। আমরা মূলত যুক্তরাজ্যের গাইডলাইন ফলো করি। উন্নত দেশগুলোর চিকিৎসা পদ্ধতি প্রায় একই রকম।

আমরা যে পদ্ধতিতে কাজ করি সেটাতে ব্রেস্ট ও বগলের লিম্ফনোডগুলো কেটে ফেলতে হবে না। তবে এটার জন্য গামা প্রোব লাগে। এটা আমাদের মর্ডানে আছে। যদি কোন লিম্ফনোডে ক্যান্সার থাকে আমরা প্রথমেই সেটি ডিটেক্ট করি। এরপর আমরা এক্সিলারি কিয়ারেন্স করি। যদি প্রথম লিম্ফনোডেসমস্যা না থাকে তাহলে আমরা বাকীগুলো টাচ করবো না। যদি থাকে তাহলে বাকীগুলোও ক্লিয়ারেন্স করবো। অক্সিলারি ক্লিয়ারেন্সের অবশ্যই দরকার আছে। কিন্তু যার লাগবে না তাকে আমরা কেনো করবো?

আবার এমন কিছু রোগি আছে যাদের ব্রেস্ট ক্যান্সারের হিস্ট্রি আছে। এটা স্ক্যান করে অনেক সময় পাওয়া যায়। এটার মাত্রা ০.৫ বা ০.১ সেন্টিমিটার । এই ধরনের রোগির ডাইগনোসিস করার সময় আল্ট্রাসনোগাইডেড কোর বায়োপসি করা হয়ে থাকে। ডায়াগনোসিসের পর অপারেশনের জন্য গাইডওয়্যার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটা একটা নিউ ট্যাকনিক।

মেডিভয়েস: ব্রেস্ট ইউনিট কী?

ডা. আলী নাফিসা: ব্রেস্ট ইউনিট হলো যেখানে শুধুমাত্র ব্রেস্ট ক্যান্সারের রোগিকে চিকিৎসা দেয়া হবে। একই স্পেসে সার্জান, রেডিওথেরাপিস্ট, কেমোথেরাপিস্ট অর্থাৎ সকলেই থাকবে। রোগি এক ফ্লোরেই যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবে। যুক্তরাজ্যে এমনটাই হয়ে থাকে। বাংলাদেশে আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এটা হতে যাচ্ছে। আমাদের ডেকোরেশনের কাজ চলছে। অল্পসময়ের মধ্যেই চালু হবে ইনশাআল্লাহ।

মেডিভয়েস: আপনাদের স্বপ্ন কী?

ডা. আলী নাফিসা: মর্ডানে খুব ভালো একটা ব্রেস্ট কেয়ার গড়ে তোলা আমাদের স্বপ্ন। অলরেডি আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। আমরা এখানে ইউকের ফ্যাসিলিটিস দেবো। আমরা ইউকের একটা প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করছি। আমরা সেই প্রতিষ্ঠান থেকে ট্রেনিং নিয়েছি। আমি আশা করি, আগামীতে বাংলাদেশের রোগিরা কনজারভেটিভ ব্রেস্ট সার্জারি করার জন্য আর দেশের বাইরে যাবে না।

মেডিভয়েস: যারা এই সাবজেক্টে ক্যারিয়ার করতে চায় তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?

ডা. আলী নাফিসা: প্রথমেই আমরা একটা বেসিক ডিগ্রী নেব। এরপর উচ্চতর ডিগ্রী। তবে বাংলাদেশে ব্রেস্টের উপর উচ্চতর কোনো ডিগ্রী নেই। এজন্য আমাদের দেশের বাইরে থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসতে হবে।

মেডিভয়েস: আপনার অ্যাকাডেমিক লাইফ সম্পর্কে জানতে চাই।

ডা. আলী নাফিসা: আমি রাজশাহীতে জন্ম গ্রহণ করেছি। সেখান থেকেই এসএসসি ১৯৯৯ এবং এইএসসি ২০০১ সালে পাশ করেছি। আমি ২০০৭ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষ করেছি। এরপর আমি খাজা ইউনুসে এক বছর ছিলাম। সেখানে প্রফেসর ডা. রাকীব উদ্দীন স্যার ছিলেন। যিনি আমাকে ব্রেস্ট ক্যান্সার বিষয়ে সর্বোচ্চ সাপোর্ট দিয়েছেন। আমি ২০১৪ সালে এফসিপিএস পাশ করি। চার বছর ধরে আমি মর্ডানে সার্জারি বিভাগের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর হিসেবে আছি। আমি ২০১৭ সালে ইন্ডিয়া থেকে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স (এইমস) থেকে প্রফেসর অনুরাগ বাস্তেসেবার আন্ডারে ট্রেনিং নিয়েছি। এরপর ইউকেতে গিয়ে প্রফেসর এসকে ডা. ফরিদ আহমেদ এর সাথে কাজ করেছি। আগামী জানুয়ারিতে আমি ট্রেনিং নেয়ার জন্য আমেরিকায় যাব।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


জীবন ও কর্ম বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক ডা. বুলবুল সরওয়ার

সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক ডা. বুলবুল সরওয়ার

মেডিভয়েস রিপোর্ট: আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার ২০১৭-এর জন্য মনোনিত হয়েছেন অধ্যাপক ডা. বুলবুল সরওয়ার।…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর