ঢাকা      শুক্রবার ২০, সেপ্টেম্বর ২০১৯ - ৪, আশ্বিন, ১৪২৬ - হিজরী



ডা. মুহাম্মাদ সাঈদ এনাম ওয়ালিদ

চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কলামিস্ট, জনস্বাস্থ্য গবেষক।


আত্মহত্যা নিয়ে যতকথা!

সুইসাইড বা আত্মহত্যা হলো নিজেই নিজেকে হত্যা করা।  এটা হলো অস্বাভাবিক চিন্তার জগৎ থেকে সম্পাদিত ক্রিয়া।  সুইসাইড সব রকমের মানুষের মধ্যে দেখা যায়।  সুইসাইড কুখ্যাত লোকদের মধ্যে যেমন আছে তেমনি বিখ্যাত লোকদের মধ্যেও আছে। কিংবদন্তীর মধ্যে আছে, আছে রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবীদের মাঝে।  সুইসাইড বুড়োদের মধ্যে যেমন আছে তেমন আছে তরুণদের মধ্যে।  বিবাহিত-অবিবাহিত, প্রেমিক-প্রেমিকা, চোর-সাধু, প্রতিষ্ঠিত-ব্যর্থ, বেকার-ব্যস্ত, নায়ক-খল নায়ক, বৈজ্ঞানিক-অবৈজ্ঞানিক সবার মধ্যেই কমবেশি সুইসাইড রয়েছে।

আমেরিকায় প্রতি বছর গড়ে ৪৫ হাজারের অধিক মানুষ সুইসাইড বা আত্মহত্যা করে।  আত্মহত্যা সবচেয়ে বেশী করে হতাশাগ্রস্থ তরুণ তরুণীরা।  বয়স্কদের মধ্যে আত্মহত্যা দেখা যায়।

জাপানে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মধ্যে আত্মহত্যা বেশী দেখা।  একদিন আগেও সকাল কিংবা বিকালে যে বয়ো:বৃদ্ধ লোককে আপনি কর্মক্ষেত্রে বা গার্ডেনে পায়চারী করতে দেখলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখলেন তার বাসার সামনে পুলিশ।  দরজা ভেংগে মরদেহ বের করা হচ্ছে।  একবার জাপানে মানসিক রোগ বিষয়ে এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে গিয়েছিলাম।  সেখানে কয়েকজন ডাক্তার, পরিচিত জনের সাথে কথা বলে জানা গেলো তার কারণ।  ওদেরতো সবই আছে, ওরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি, তবে কেনো তাদের মাঝেও  আত্মহত্যা।  এর মূল কারণ কী?

বাংলাদেশে আত্মহত্যার সংখ্যা অনেক বেশী।  প্রতিবছর অনেক আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।  বেশির ভাগই তরুণ-তরুণী।  মানসিক রোগী, মাদকাসক্ত, সামাজিক পারিবারিক, দৈহিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতিত  ও নিগৃহীত রাই বেশি আত্মহত্যা করতে দেখা গেছে।  অনেক সময় দারিদ্রতার জন্যে স্বপরিবারে আত্মহত্যার খবরও পত্রিকায় দেখা যায়।  তবে এ ব্যপারে নির্দিষ্ট কোন পরিসংখ্যান নেই, কারা কেনো আত্মহত্যার মত ভয়ানক ধ্বংসাত্মক পথ বেছে নিচ্ছে।

 

আত্মহত্যা কখন কারা করে:

আত্মহত্যা নারীদের তুলনায় পুরুষের মধ্যে বেশী।  ১৫ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে মৃত্যুর দ্বিতীয় বৃহত্তম কারণ আত্মহত্যা।  নারীরা পুরুষদের তুলনায় আত্মহত্যার প্রচেষ্টা একাধিক বার চালায় এবং তারা সাধারণত পয়জনিং জাতীয় দ্রব্যাদির ব্যবহার করে।  পুরুষরা অধিকতর বিপদজনক পদ্ধতি বেছে নেন আত্মহত্যার জন্যে, যেমন পিস্তল শুটিং বা উপর থেকে ঝাপ দেয়া।

আমাদের দেশে তরুণীদের মধ্যে কীটনাশক খেয়ে এবং গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করতে বেশী দেখা যায়।   গ্রাম অঞ্চলে পোকামাকড় নিধনের ওষুধ এবং শহরের মেয়েদের মধ্যে হারপিক, কেরোসিন বা ঘুমের বড়ি খেয়ে আত্মহত্যা করার প্রবণতা বেশী।

বিবাহিত পুরুষ আত্মহত্যার জন্যে পিস্তল ব্যবহার এবং অবিবাহিতরা পুরুষ সাধারণত ফাঁসীতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন।  মহিলাদের ক্ষেত্রে কিছুটা আলাদা।  তারা সাধারণত বিষাক্ত ওষুধ খেয়ে কিংবা নিত্য ব্যবহৃত ওষুধ অতিমাত্রায় সেবনের মাধ্যমে আত্মহত্যা করেন।  সৌন্দর্য সচেতন থাকায় আত্মহত্যার জন্যে নারীরা সাধারণত মাথায় পিস্তল স্যুট করেন না।  তবে অনেক সময় তাদেরকে হাত-পা কেটে রক্ত ক্ষরণের মাধ্যমে আত্মহত্যা করতে দেখা যায়।

উন্নত দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা শীতকালে, সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে অধিক দেখা যায়।  ধনী দেশগুলোর চেয়ে গরীব দেশের মানুষ বেশী আত্মহত্যা করে।  তবে রাশিয়া তে প্রচুর ধনী লোকজন আত্মহত্যা করে থাকেন।

নারীরা একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন, যা পুরুষদের বেলায় খুব একটা দেখা যায় না।  তাদের এই একাধিক বার আত্মহত্যার চেষ্টা কে অনেকে আবার 'তার প্রতি বা তার চাওয়া পাওয়ার দৃষ্টি নিবন্ধন করার চেষ্টা' (এটেনশন সিকিং) বলে মনে করেন, যা সম্পুর্ণ ভুল।

কেউ যদি বলে, আমি চলে যাবো, আমি কিন্তু মরে যাবো, আমাকে আর পাবে না বা আমার বেঁচে থাকার ইচ্ছা করে না, তবে সেটা অবশ্যই অবশ্যই গুরুত্বের সাথে নিতে হবে।  তাকে সাইকিয়াট্রিক কাউনসেলিং নিতেই হবে।  কারণ যারা আত্মহত্যা করেছে তারা এ ধরনের কথা প্রায়শ বলেছে।

বাংলাদেশে আত্মহত্যার সংখ্যা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোন ডাটা নেই, তবে বাংলাদেশে আত্মহত্যার কারণগুলো খুব স্পষ্ট এবং প্রায় সবক্ষেত্রেই একই ধাঁচের।  মানসিক রোগ, মাদকাসক্তি, প্রেমে ব্যর্থতা, শারীরিক মানসিক নির্যাতন, পরীক্ষায় ফেল, সহায় সম্পত্তি হারিয়ে ফেলা, অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া, ঋনগ্রস্থ হয়ে পড়া, অপমানিত, অপদস্থ  হওয়া, ধর্ষিত হওয়া ইত্যাদি কয়েকটি কারণই প্রধান। অনেককে দারিদ্রতার কারণে আত্মহত্যা করতেও দেখা যায়।

 

দুই.

প্রতিটি আত্মহত্যা প্রতিটি পরিবারের জন্যে বেদনাময়।  প্রতিটি আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণও আছে।  এটা এমন না যে গায়েবী কেউ বললো আর ওমনি কেউ আত্মহত্যার জন্যে ঝাপ দিলো।  তবে মানসিক বিকার গ্রস্থদের বা মাদকাসক্তদের কথা আলাদা।  অনেক সময় তাদের হেলুসিনেসন হয়।  তারা শুনতে পায় কেউ তাদের কমান্ড করছে, নিজেকে মেরে ফেলো।  ফলে তারা আত্মহত্যা বা হত্যায় উদ্বুদ্ধ হয়। 

আত্মহত্যার জন্যে কাউকে দায়ী করতে হলে প্রথমে যে বা যিনি আত্মহত্যা করেছেন তাকেই আমরা দায়ী করি।  তারপর পারিপার্শ্বিক বিষয় বিবেচনায় আনি।  কারণ প্রতিটি মানুষের জীবন তার নিজের

কাছেই আগে গুরুত্বপূর্ণ।  প্রথমে নিজেই নিজেকে নিরাপদ রাখতে হয়। কিন্তু আত্মহত্যার ক্ষেত্রে এ মানুষটি নিজেই নেজেকে শেষ করেছে।

যেহেতু আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা ঘটনা ঘটে নিজ গৃহে, কীটনাশক পানে অথবা গলায় দড়ি পেঁচিয়ে।  সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে আত্মহত্যা প্রতিরোধ করতে হলে ঘরের সবাইকে আগে সাবধান ও সচেতন হতে হবে।  জানতে হবে আত্মহত্যা কী? কারা করতে পারে।  কারা ঝুঁকিতে আছেন।

অনেকে বলতে পারেন আত্মহত্যা কে বা কারা করবে, করবে না সেটা আমরা কি করে বুঝবো বা আদৌ কি বিষয়টা আগে থেকে টের পাওয়া যায়? এর পরিষ্কার  উত্তর হবে 'হ্যাঁ'।  আত্মহত্যা সম্পর্কে একটা স্বচ্ছ ধারণা থাকলেই তবেই তা সম্ভব।  তাই সবার জানতে আত্মহত্যা কী?

 

আত্মহত্যাকারীর আত্মহত্যার ব্যাখ্যা:

বিশ্বের সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোলজিস্টরা আত্মহত্যা নিয়ে অনুসন্ধান করতে আত্মহত্যাকারীদের বেশ কিছু 'সুসাইডাল নোট' বা আত্মহত্যাকারীর স্বহস্তে লিখে যাওয়া কিছু 'চিরকুট' নিয়ে গবেষণা করেছেন। সব ক্ষেত্রেই চিরকুট গুলো

সারমর্ম মোটামুটি এক।  তা হলো:

আত্মহত্যাকারী নিজেকে এখন সমাজ ও পরিবারের বোঝা মনে করছে বা সে তীব্র যন্ত্রণায় দিনানিপাত করছে যা থেকে মুক্তি নেই, অথবা তার জীবনে ঘটে যাওয়া কোন দুর্ঘটনায় এখন তার কাছে মনে হচ্ছে মৃত্যুই মুক্তি অথবা মৃত্যুই এখন একমাত্র সমাধান।

অনেক সময় দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীরা নিজেদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার ভেবে বা নিজেকে অপাংক্তেয় ভেবে আত্মহননের পথ বেছে নেন।  ঘোরতর মানসিক রোগীর কথা একটু ভিন্ন।  রোগ হিসেবে বলতে গেলে বলতে হয়, আত্মহত্যার প্রধান কারণ হলো ডিপ্রেশন।  প্রতি তিনজন ডিপ্রেশন রোগীর মধ্যে দুই জনকে আত্মহত্যা করতে দেখা যায়।

অনেকে মনে করেন সাময়িক কষ্ট, যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে মানুষ আত্মহত্যা করে, বিষয়টি আসলে ঠিক সে রকম না।  তাহলেতো পৃথিবীর সবাই আত্মহত্যা করতো।  মূলত আত্মহত্যাকারী নিজেকে বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হয় যে তার বেঁচে থাকার আদৌ কোন মানে আছে।  এটা তার থিংকিং প্রসেসের ভুল।

 

আত্মহত্যার লক্ষণ:

প্রায় সকল ক্ষেত্রেই আত্মহত্যাকারীর আত্মহত্যা করার পুর্বে তার মধ্যে বেশ কিছু শারিরীক ও আচার আচরনের পরিবর্তন দেখা যা দেখে খুব সহজেই বুঝা যায় প্রিয় মানুষটি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারে।  পরিবর্তনগুলো অনেকটা এরকম:

১) তার আচার-আচরণে, ঘুম ও খাবারে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দেয়।

২) বন্ধু-বান্ধব, সামাজিক কাজকর্ম সব কিছু থেকে সে গুটিয়ে নেয়া শুরু করে।

৩) অতীতে কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে সে আত্মহত্যার কথা বললে বা চেষ্টা করে।

৪) পড়াশোনা অফিস আদালত এসব নিত্যদিনের ক্রিয়াকালাপ থেকে গুটিয়ে নেয়।

৫) কোন কিছুর ব্যপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া যেমন উইল করা, রিজাইন দেয়া, ইত্যাদি করে।

৬) অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে বিপজ্জনক ঝুঁকি নেয়, যেমন ঝুঁকিপূর্ণ ড্রাইভিং, অবাদে যৌন সম্পর্ক করা, মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবন কারা বা মাদক সেবন করা।

৭) চরম কাংখিত বিষয়, ব্যক্তিগত ভালোলাগার বা ভালোবাসার কোন বিষয়, বা জীবনের কাংখিত কোন গোল এর প্রতি হঠাৎ করেই অনাগ্রহ দেখায়।

৮) সারাক্ষণ মৃত্যুর কথা বলা, চিন্তা করা, অন্যকে প্রলুব্ধ করা, এলকোহল, গাঁজা, ইয়াবা ইত্যাদির ব্যবহার মারাত্মক ভাবে বাড়িয়ে দেয়া।

৯) বিষন্ন মনমরা হয়ে সবকিছু থেকে গুটিয়ে নেয়া ইত্যাদি।

 

আত্মহত্যার প্ররোচক:

তবে আত্মহত্যাকারীর মধ্যে এসব সহসাই দেখা দেয় যে তা নয়।  বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এর কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর কাজ করে।  যেমন তারা সম্প্রতি কোন ক্রাইসিস এ পড়েছেন, নিকট কারো মৃত্যু হয়েছে, স্বজন হারা হয়েছেন।  এছাড়া প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট হওয়া, ডিভোর্স হওয়া, চাকুরীচ্যুত হওয়া, দুরারোগ্য বা জটিল কোন রোগে আক্রান্ত হবার খবর পাওয়া, অপমান অপদস্থ হওয়া, শারিরীক লাঞ্চনা-বঞ্চনার শিকার হওয়া, ধর্ষিত হওয়া, প্রতারিত হওয়া, মারাত্মক ভাবে যে কোন ব্যপারে প্রচন্ড ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া ইত্যাদি প্রায়সময় থাকেই।  আর এসব কারণে নিজেই নিজের প্রতি ক্রমশ আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন।  বেঁচে থাকার পক্ষে তখন কোন যুক্তিই তার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয় না।

অনেক সময় কিছু কিছু আত্মহত্যাকারীদের অতীত ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় তার মধ্যে নানান এন্টসোশ্যাল পার্সোনালিটি বৈশিষ্ট্য থাকে যেমন চুরি করা, মিথ্যা বলা, ঠকানো, ঋণখেলাপী হওয়া বা কাউকে হত্যা করা।  আত্মহত্যা কারীদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও অতীতে আত্মহত্যার ঘটনার প্রমান পাওয়া যায়।

 

আত্মহত্যা থেকে কিভাবে মুক্ত থাকা যায়?

একমাত্র সচেতনতাই পারে প্রিয়জনের আত্মহত্যা রোধ করতে।  তার প্রতি সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দিতে।  তাকে সাইকিয়াট্রিক কাউন্সেলিং এর জন্যে সাইকিয়াট্রিস্ট এর শরণাপন্ন হই।  "মুখপোড়া, বংশের কলংক, তোর এমন কান্ড কীর্তি আর পরিণাম দেখার আগে কেনো আমাদের মরণ হলো না" এ রকম কোন কথা বলে একান্ত প্রিয় মানুষটির আত্মহত্যার পরিকল্পনাকে আরো ত্বরান্বিত না করে বরং তার দিকে ভালোবাসা আর সহমর্মিতার হাত বাড়াই।

এখানে একটি প্রশ্ন সবার মনে উঁকিঝুঁকি দিতে পারে, জীবনে বিরুপ পরিস্থিতির শিকার অনেকেই হয় সবাইতো আর আত্মহত্যার ঝুঁকি নেয় না।  হ্যাঁ তা ঠিক।  কিন্তু আপনাকে এটা মনে রাখতে সবার সব কিছু সহজ ভাবে মেনে নেবার মানসিক দক্ষতাও ক্ষমতা এক নয়।

শুরুতেই বলেছিলাম সুইসাইড খ্যাত-অখ্যাত, বৈজ্ঞানিক-দার্শনিক , খেলোয়ার, রেসলার, চিত্রকর, পরিচালক, নায়ক গায়ক সব মানুষের মধ্যেই আছে।  সুইসাইডকারীদের  মধ্যে ক্লিওপেট্রা, নিরো, এডলফ হিটলার, আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, ক্রিস বেনওয়েট, ভিনসেন্ট ভ্যন গফ এবং ষাট দশকের গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দেয়া সুন্দরী অভিনেত্রী মেরিলিন মনরো'র নাম উল্লেখ যোগ্য। এদের কেউ কেউ ছিলেন মানসিক রোগী, ডিপ্রেশন বা পার্সোনালিটি ডিসওর্ডার এর রোগী।

[সম্মানিত চিকিৎসক ও প্রিয় মেডিকেল শিক্ষার্থী, আপনিও মেডিভয়েসের অংশ হয়ে উঠুন। মেডিকেল লাইফ, রোগব্যাধি, রোগের কেস স্টাডি, স্বাস্থ্য, চিকিৎসক সংগঠন ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ভ্রমণ সংবাদ, অভিজ্ঞতা, সায়েন্স ফিকশন, গল্প, কবিতা, নারী স্বাস্থ্য, যৌন স্বাস্থ্য, ক্যারিয়ার বিষয়কসহ বিভিন্ন পরামর্শ টিপস নিয়ে লিখুন। লেখা পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]]

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


সম্পাদকীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ডিপ্রেশন থেকে আত্মহত্যা: করণীয় ও চিকিৎসা

ডিপ্রেশন থেকে আত্মহত্যা: করণীয় ও চিকিৎসা

ডিপ্রেশন একটি ভয়াবহ মানসিক ব্যাধি যা একজন মানুষকে সবার অজান্তে তিলে তিলে…



জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর