ঢাকা      বুধবার ১২, ডিসেম্বর ২০১৮ - ২৮, অগ্রাহায়ণ, ১৪২৫ - হিজরী

মৃত নারীর জরায়ু থেকে শিশুর জন্ম

মেডিভয়েস ডেস্ক: এই প্রথম একজন মৃত নারীর শরীর থেকে সংগ্রহ করা জরায়ু প্রতিস্থাপনের পর সেখানে সফলভাবে একটি মেয়ে শিশুর জন্ম হয়েছে। এর আগে জীবিত নারীদের দান করা জরায়ু প্রতিস্থাপনের পর শিশুর জন্ম হলেও, মৃত নারীর জরায়ু ব্যবহার করে শিশু জন্মের ঘটনা এই প্রথম। 

এই সফলতা বন্ধ্যা নারীদের সন্তান জন্ম দেয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে বলে বলছেন চিকিৎসকরা। টানা ১০ ঘণ্টার অপারেশনের পর ব্রাজিলের সাও পাওলোতে ২০১৬ সালে ওই জরায়ুটি প্রতিস্থাপিত হয়। যার শরীরে সেটি স্থাপন করা হয়েছিল, তার শরীরে জন্ম থেকেই জরায়ু ছিল না।

এ পর্যন্ত জীবিত নারীদের শরীর থেকে ৩৯টি জরায়ু প্রতিস্থাপনের খবর পাওয়া গেছে। অনেক ক্ষেত্রে মা তাদের কন্যাকে জরায়ু দান করেছেন। এরকম প্রতিস্থাপনের পর ১১টি শিশুর জন্ম হয়েছে। তবে কোন মৃত নারীর শরীর থেকে নেয়া জরায়ুতে বাচ্চা জন্মের ঘটনা এবারই প্রথম। এর আগে যতবার চেষ্টা করা হয়েছে, সেটি ব্যর্থ অথবা গর্ভপাত হয়ে গেছে।

যার জরায়ু, তিনি ছিলেন মধ্য চল্লিশের একজন নারী, যিনি মস্তিষ্কে রক্তপাতে মারা যান। তার তিনটি সন্তান রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিশ্বের প্রথম জিন এডিটকৃত জমজ শিশুর জন্ম, গবেষক মহলে নিন্দার ঝড়

বিশ্বের প্রথম জিন এডিটকৃত জমজ শিশুর জন্ম, গবেষক মহলে নিন্দার ঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চাইনিজ গবেষক হি জিয়াংক্যুয়ে বিশ্বে সর্বপ্রথম জেনিটিকালি মডিফাইড মানব শিশু তৈরি…

গাজায় চিকিৎসক ম্যাডস গিলবার্টকে নিষিদ্ধ করেছে ইসরায়েল

গাজায় চিকিৎসক ম্যাডস গিলবার্টকে নিষিদ্ধ করেছে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজায় নরওয়েজিয়ান চিকিৎসক ডা. ম্যাডস গিলবার্টকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে ইসরায়েল।…

৩২ কলোমিটার দূরে বসে রোগীর অপারেশন!

৩২ কলোমিটার দূরে বসে রোগীর অপারেশন!

মেডিভয়েস ডেস্ক:রোগী থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে রয়েছেন ডাক্তার। কিন্তু রোগীর হৃদযন্ত্রে অপারেশন…

জীবন রক্ষাকারী ওষুধ সঙ্কটে সুদান

জীবন রক্ষাকারী ওষুধ সঙ্কটে সুদান

মেডিভয়েস রিপোর্ট: যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সুদানের ফার্মেসিগুলোতে জীবনরক্ষাকারী কোন ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না।…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর