ঢাকা      বুধবার ১২, ডিসেম্বর ২০১৮ - ২৮, অগ্রাহায়ণ, ১৪২৫ - হিজরী

বিএসএমএমইউতে এইডস দিবস পালন

মেডিভয়েস রিপোর্ট: “এইচআইভি পরীক্ষা করুন; নিজেকে জানুন”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব এইডস দিবস পালন করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিএসএমএমইউ। 

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লকের সামনের বটতলা থেকে একটি জনসচেতনতামূলক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশ প্রদক্ষিণ করে সি ব্লকের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে র‌্যালির শুভ উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ শহীদুল্লাহ সিকদার, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, বিশ্ব এইডস দিবস উদযাপন কমিটি ২০১৮-এর সভাপতি ও অবস এন্ড গাইনী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সালেহা বেগম চৌধুরী, শিশু অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. চৌধুরী ইয়াকুব জামাল প্রমূখ।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রথম ও প্রধান পোস্ট গ্রাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় যেখান থেকে বিভিন্ন বিভাগের মাধ্যমে রোগীদের কম্প্রিহেনসিভ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হয়। ১৯৮৯ সালে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগে বাংলাদেশে প্রথম এইচআইভি সনাক্ত করা হয় এবং তা অব্যাহত আছে।

তিনি আরো বলেন, ২০১৩ সালের আগ পর্যন্ত সরকারী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত গর্ভবতী মায়েদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল না। বাংলাদেশে সরকারী পর্যায়ে প্রথমবারের মতো গত ১৬ মে ২০১৩ থেকে এইচআইভি আক্রান্ত গর্ভবতী মায়েদের সেবা প্রদান অবস্ এন্ড গাইনী বিভাগের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয় শুরু করেছে এবং এ সেবা অব্যাহতভাবে চলছে।

এই সেবার অধীনে এই পর্যন্ত মোট ৫৮ জন গর্ভবতী মা সুস্থ সন্তান প্রসব করেছে। এবং দেশে নতুন ৫৮টি সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এইচআইভিতে আক্রান্ত সকল রোগীদের জন্য অত্র বিশ্ববিদ্যালয় তার সেবার পরিধি বৃদ্ধি করেছে, যা স্ট্রেনদেনিং অফ এইচআইভি সার্ভিসেস নামে গত বছরে শুরু হয়েছে।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বিনামূল্যে এআরভি প্রদান ও সকল রোগের যথাযথ চিকিৎসা সেবার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। অত্র বিশ্ববিদ্যালয় হতে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী এআরভি নিচ্ছেন। গত ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত মোট ১০৪৬ জন রোগী এআরভি নিয়েছেন। তাদের সকল পরীক্ষা ও চিকিৎস সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এই সেবাও অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

সংসদ নির্বাচনে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী ডা. সানসিলা

সংসদ নির্বাচনে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী ডা. সানসিলা

মেডিভয়েস রিপোর্ট: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রার্থী হিসেবে বিএনপির মনোনীত ধানের…

এক বছর মেয়াদী অনারারি ট্রেনিংয়ের জন্য দরখাস্ত আহবান

এক বছর মেয়াদী অনারারি ট্রেনিংয়ের জন্য দরখাস্ত আহবান

মাতৃসদন ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে অবস অ্যান্ড গাইনী ও শিশু বিভাগে…

বিদেশী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জন্য নীতিমালা

বিদেশী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জন্য নীতিমালা

যথাযথ অনুমোদন না নিয়ে বাংলাদেশে দীর্ঘদিন অবস্থান করে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন…

হবু চিকিৎসকের পাশে দাড়ালেন চিকিৎসকরা

হবু চিকিৎসকের পাশে দাড়ালেন চিকিৎসকরা

মেডিভয়েস রিপোর্ট: সিরাজগঞ্জের বেলকুচির প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছেলে আরিফুল ইসলাম। বাবা একজন চা…

বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপ পেলেন অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল

বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপ পেলেন অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল

দেশের চিকিৎসাসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপ ২০১৮ পেয়েছেন…

বাংলাদেশে প্রতি ১০ হাজারে ১৭ জন শিশু অটিজমে আক্রান্ত

বাংলাদেশে প্রতি ১০ হাজারে ১৭ জন শিশু অটিজমে আক্রান্ত

বাংলাদেশে প্রতি ১০ হাজার শিশুর মধ্যে গড়ে ১৭ জন অটিজমে আক্রান্ত। এ…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর