০৪ নভেম্বর, ২০১৮ ১২:২৬ পিএম

ঢাকা মেডিকেলের মেয়াদোত্তীর্ণ এক্সপোজার থেকে ঘটতে পারে ভয়াবহ তেজস্ক্রিয় দুর্ঘটনা!

ঢাকা মেডিকেলের মেয়াদোত্তীর্ণ এক্সপোজার থেকে ঘটতে পারে ভয়াবহ তেজস্ক্রিয় দুর্ঘটনা!

মেডিভয়েস রিপোর্ট: কোবাল্ট-৬০ এক্সপোজার। এটি ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ব্যবহৃত ব্রাকিথেরাপি মেশিনের সোর্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মারাত্মক তেজস্ক্রিয় এ পদার্থ রক্ষণাবেক্ষণে খুবইক সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। পাঁচ বছর পরপর এই সোর্স পরিবর্তন করতে হয়। পারমাণবিক বোমা থেকে যে ধরনের তেজস্ক্রিয়া নির্গত হয়, ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ব্রাকিথেরাপি মেশিনের সোর্স থেকেও একই ধরনের তেজস্ক্রিয়া ছড়াতে পারে।

জানা গেছে, ক্যান্সার রোগীদের রেডিওথেরাপি দেওয়ার জন্য ১৯৯৬ সালে কাজে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের একটি কক্ষে চাইনিজ ব্রাকিথেরাপি মেশিন বসানো হয়। এর সোর্স হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোবাল্ট-৬০ এক্সপোজার। মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও এক্সপোজারটিকে একটি কক্ষে রাখা হয়েছে। কখনো সংস্কারের জন্য দেয়ালটি যদি ভাঙা হয় তখন এর তেজস্ক্রিয় রশ্মি ছড়িয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি অতি শক্তিশালী একটি সোর্স। মেশিন থেকে সোর্স যেকোনো সময় বেরিয়ে পড়তে পারে। এটা খুবই বিপজ্জনক। এর তেজস্ক্রিয় ক্ষমতা অনেক শক্তিশালী।

সূত্র বলছে, মেশিনটি ঢামেক হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগে স্থাপনের পর ব্যবহার হয়নি। সেখানে এখন অন্য মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু পুরাতন মেশিনের সোর্সটি এখনও সেখানেই পড়ে আছে। সেটি মেশিনের সোর্স সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ফেরত দেয়া উচিত ছিল। কিন্তু সেটি করা হয়নি।

রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট ও ক্যান্সার ইন্সটিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী বলেন, যদি এই তেজস্ক্রিয় এক্সপোজার ফেরত পাঠানো না যায়, সেক্ষেত্রে এটোমিক এনার্জি রেগুলেটরি অথরিটিকে জানাতে হবে। তারপরেও কাজ না হলে মাটির অনেক গভীরে পুঁতে ফেলতে হবে।

মেডিভয়েসকে বিশেষ সাক্ষাৎকারে পরিচালক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শতাধিক করোনা বেড ফাঁকা

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি