ডা. তারিক আলম অনি

ডা. তারিক আলম অনি

রেজিস্ট্রার
ডিপার্টমেন্ট- এক্সিডেন্ট এন্ড ইমার্জেন্সী, 
গ্ল্যাডস্টোন হাসপাতাল। 
সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া।


২৬ অক্টোবর, ২০১৮ ০২:১৫ পিএম

‘বসের বউ যে বিগ বস এ ব্যাপারটা তুমি কবে অনুধাবন করবে?’

‘বসের বউ যে বিগ বস এ ব্যাপারটা তুমি কবে অনুধাবন করবে?’

ইমার্জেন্সিতে নাইট ডিউটি পড়েছে। দুইজন রেজিস্ট্রারের উপর দ্বায়িত্ব থাকে। আরেকজন রেজিস্ট্রার টমিকে নিয়ে আমি লীড দিচ্ছি। টমি আমার জুনিয়র, অস্ট্রেলিয়ান ট্রেইনড ডাক্তার। সিনিয়র হিসেবে সে প্রতিটা কেস আমার সাথে আলোচনা করছে সিদ্ধান্তের আগে। অস্ট্রেলিয়ান ডাক্তাররা সিস্টেমের বাইরে যেতে পারে না। টমিও পারছে না। তাই তাকে প্রতিটা কেস আমাকে বলে বলে কাজ করতে হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে তাকে মোটেও নিরানন্দ মনে হচ্ছে না! আমি ব্যাপারটা প্রথমে কিছুক্ষণ উপভোগ করলেও এখন আপদের মত লাগছে- কারণ আমার কাজের লোড বাড়ছে।

রাত তিনটার দিকে টমি এক মহিলা রোগীর কেস নিয়ে বলল, তারিক এই রোগীটা সম্পর্কে আমার কোন ধারনা নেই। রোগীকে বাড়ি পাঠাবো না ভর্তি করবো নাকি ইমার্জেন্সিতেই সকাল পর্যন্ত রেখে দিব বুঝতেছি না।

কাহিনী শুনার পর যা বুঝলাম প্রধান সমস্যা মহিলার পেটের ডান দিকে ব্যথা, বমি, খারাপ লাগা, দুর্বলতা ও সাথে হাবিজাবি কিছু সমস্যা। শুনে আমার মনে হল ওভারীয়ান কোন সমস্যা। এপেনডিক্সের ব্যথাও হতে পারে, অন্য কিছুও হতে পারে। কে জানে! ইনভেস্টিগেশন করে কিছু বের হল না, প্রেগন্যান্ট না এতটুকু নিশ্চিত হলাম। রিপোর্ট সবই চলে মার্কা কোন ডায়াগনোসিসে আসা যাচ্ছে না।

বেড সাইড সনোগ্রাম করে ফেললাম। দেখলাম রোগীর পেটে কিছু ফ্লুইড আছে। পেট একটু শক্ত। পালস সারাক্ষণই বেশি। এই রোগী বাড়ি পাঠানোর প্রশ্নই আসে না। ইমার্জেন্সিতে সারারাত রেখে দিয়ে সকাল বেলা কনসালটেন্টের কুচকানো ভ্রুও আমি দেখতে চাই না। বাকি রইল ভর্তি করে দেওয়া কিন্তু কার ঘাড়ে চাপাবো? রোগীর কী হয়েছে সেটাই তো জানি না! মেডিসিন/সার্জারি/গাইনি কাকে কী বলব? সবাই তো প্রথমেই জানতে চাইবে রোগটা কী?

অবু দশ বিশ করে ভাবলাম, মহিলা রোগী গাইনিতে চলে যাক। খুবই হাস্যকর আর জঘন্য যুক্তি। কিন্তু ডাক্তারি করে একটা ব্যাপার বুঝেছি, জঘন্য বুদ্ধিগুলোই কিভাবে কিভাবে যেন কাজে লেগে যায়!

টমি মিয়াকে বললাম, ওএনজি (গাইনি) রেজিস্ট্রারকে কল দাও। টমির মুখ নিমিষে কালো হয়ে গেল। রোস্টারে দেখাচ্ছে ডা. অমিতা রায় অন কল, সে যথেষ্ট সিনিয়র রেজিস্ট্রার। প্রেগনেন্সি রিলেটেড কম্পলিকেশন আর লাইফ থ্রেটেনিং কিছু না হলে কোন ডায়গনসিস ছাড়া রাত তিন টায় অস্ট্রেলিয়াতে গাইনির সিনিয়র রেজিস্ট্রারকে ঘুম থেকে তোলা মোটামুটি ঘুমন্ত বাঘকে জাগিয়ে তোলার মত একটা ব্যাপার।

ব্যাপার তাই ঘটল, বাঘিনী জেগে গেল। সব শুনে প্রথমেই জানতে চাইল কেন তাকে ফোন করা হয়েছে? ইমার্জেন্সিটা কী? টমি আমতা আমতা করতেই সে বলল, রোগী তোমার যা খুশি তাই কর, সকালে রাউন্ডের পর দেখব! সকাল ৭ টায় আমার থিয়েটার আছে। বলে বাঘিনী ঘুমাতে চলে গেল।

আমি টমির মুখ দেখেই বুঝলাম ফোনে সুবিধা হয়নি। কিন্তু রোগী তো আমার কাউকে গছাতেই হবে! সার্জারির রেজিস্ট্রার পিটার আমার ভালো বন্ধু, তাকে বিপদে ফেলতে ইচ্ছে হল না। সে ঘুমাক। মেডিসিন কল দেয়াটা নিজের কাছেই বেখাপ্পা মনে হল। বাঘিনী তুমিই আজ আমার ৫২ তাস। তুমিই ভরসা!

এবার আমি ফোন করলাম। কোন রকম ভনিতা না করেই বললাম ইমার্জেন্সি থেকে তারিক বলছি। রোগী তোমার আন্ডারে ভর্তি করতে চাই। 
- কেন?
- রোগীর গাইনির সমস্যা। তুমি গাইনির ডাক্তার, তাই। 
- কিভাবে বুঝলে গাইনির সমস্যা? 
- মনে হয়েছে গাইনির সমস্যা। 
- আশ্চর্য! তোমার মনে হয়েছে! কোন প্রমাণ আছে? কোন রিপোর্ট আছে? 
- পেটে ব্যথা আছে, পানি আছে। আর আমার ক্লিনিকাল ডিসিশন বলছে ওভারীতে সমস্যা। সো রোগী তোমার! 
- এত রাতে ইমার্জেন্সিটা কী? রোগী কি মারা যাচ্ছে? 
- না।

রোগীর কি এখনই অপারেশন লাগবে?
- না। 
- তো আমাকে কেন কল করেছ? আমি ইমার্জেন্সি অন কল। 
- আমি কিছু বুঝতেছি না, এটুকু বুঝতেছি যে সমস্যাটা গাইনির। বাকিটা বুঝার জন্য তোমাকে লাগবে, তাই তোমাকে ফোন করেছি। 
- আমি এত রাতে এসে কী করব? 
- সেটা আমি কী জানি? তুমি গাইনীর ডাক্তার তুমি না জানো! 
- তারিক! তুমি কী জানো যে তুমি খুবই হাস্যকর কথা বলছো? 
- সম্ভবত বলছি। কিন্তু রোগীর পালস বাড়ছে আর পেটে কিছু তরল আছে। ওই তরল যে ব্লিডিং না এটা তুমি নিশ্চিত করতে পারলেই আমিও প্রাণ খুলে হাসবো। 
- ওয়েল, রোগীর কিছু ইমেজিং লাগবে। সেগুলো এখন হবে না। সকালে সেসব করে আমাকে ফোন দিলেই তো হয়। 
- না, তা হয় না। কারণ তাহলে সারারাত এই দুশ্চিন্তা আমার মাথায় নিয়ে বসে থাকতে হবে। আমি আবার দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে কাজ করতে পারি না। 

তুমি কি আমার সাথে জোকস করার চেষ্টা করছো? ডোন্ট ডু দ্যাট। 
- আচ্ছা জোকস করবো না। তুমি আসো। 
- কী আশ্চর্য! আমার আসার দরকার নেই তারপরেও আমাকে কেন আসতে হবে? 
- আসতে হবে কারণ সবসময় রোগী মরণাপন্ন হলেই তুমি আসবে তা না। তোমার অন্য কলিগ যখন ডিশিসন মেক করতে পারছে না, সেই সময় এসে তাকে সাহায্য করাও অন কলের দায়িত্ব। অন কলের কাজই হল ইমার্জেন্সিকে সাপোর্ট করা। এজন্য তোমাকে ফোন করে তোমার সাপোর্ট চাচ্ছি। 

আমি এখন এসে তুমি যা করেছ তার বাইরে হয়ত কোন কিছুই করবো না। 
- ওয়েল, তাহলে তুমিও যদি এসে বুঝতে না পারো, আর আমার যদি রোগী নিয়ে শংকা থাকে, তাহলে তোমার কনসালটেন্টের হেল্প লাগবে। তুমি এসে রোগী দেখ, তারপর আমরা নেক্সট প্ল্যানে যাই। কি বল?
- না। আমি ডিটেইল শুনেছি। আমার মনে হচ্ছে না এই মুহুর্তে আমার আসার দরকার আছে। তোমার রেফেরালটা আমার কাছে যথাযথ মনে হচ্ছে না। 
- আমার রেফারাল যথাযথ না হলেও বাই প্রটোকল তোমার আসতে হবে, এটা তোমার দায়িত্ব। সকালে রিভিউতে বসরা আলোচনা করুক রেফারাল যথাযথ ছিল কিনা। আপাতত রোগী দেখতে আসো। রোগীর নিরাপত্তা প্রথম। 

তুমি কি নতুন নাকি? কতদিন হল ইমার্জেন্সিতে কাজ কর? একটা রোগী আর ৪/৫ ঘন্টা ম্যানেজ করতে পারো না, কল দিয়ে বসে আছ! 
- ধরে নাও আমি খুবই নতুন। এবং আমি রোগী ম্যানেজ করতে পারছি না। তাই আমি ফোন করে তোমার হেল্প চাইছি। তুমি আসবে কিনা বল। 
- আমি আসার কোন কারণই দেখছি না।
- কথা প্যাচাবে না। তুমি আসলে বল আসছো, না আসলে বল আসছো না। আমি ফোনে তোমার কনসালটেনশন চাইছি না, আমি তোমার স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে রোগী দেখে মতামত চাইছি। 
- ওয়েল, আমি এখন আসার কারণ দেখছি না। আমি সকালে আসবো। গুড নাইট।

এই পর্যায়ে আমার ধৈর্যচ্যুতি ঘটলো। তারচেয়েও বড় কথা, আমি রোগীর কন্ডিশন নিয়ে চিন্তিত, রোগীর কী হয়েছে জানি না। মনিটরের নম্বরগুলো এখন পর্যন্ত ভালো, দুই মিনিট পরের গ্যারান্টি কে দিবে? রোগী মেরে গেলেও আমার সমস্যা নেই, আমার সমস্যা হল ডেথ রিভিউতে কেন আমি এই রোগী নিজে ম্যানেজ করলাম/কেন রেজিস্ট্রার অসহযোগিতা করার পরও কনসালটেন্টকে রেফার করলাম না এটা নিয়ে প্রশ্ন প্রথমে আসবে। গাইনী রেজিস্ট্রারের কিছুই হবে না। যেহেতু রোগী আমার আমি প্রাথমিকভাবে দায়ী। এই দেশ অদ্ভুত। 

এই ব্যাপারে আমার ডিরেক্টরের উপদেশও অদ্ভুত। তার এক উপদেশ, ‘সামান্য জটিলতায়ও কখনও ডিশিসন একা নিবে না। কখনও কোন কফিন একা বহন করবে না।’ আমাকে বেশ কয়েকবার বিপদের হাত থেকে বাঁচিয়েছে। তাই কফিন বহন করার লোক জোগাড়ে মন দিলাম। আবার বাঘিনীকে ফোন। 
- হ্যালো অমিতা। তারিক বলছি। সরি তোমাকে আবার কল করার জন্য এবং এটাই শেষ কল। 
- বলো, রোগীর কোন পরিবর্তন?
- না। 
- তাহলে? 
- দেখ, তুমি আমার কলিগ। তোমাকে রাতে ঘুম থেকে তুলতে আমার খারাপ লাগলেও তোমার বোঝা উচিত অকারণে আমি ফোন করছি না এত রাতে। আমি রোগীর অবস্থা নিয়ে চিন্তিত। হয়তো তেমন কিছুই না, কিন্তু সেটা শিওর না হওয়া পর্যন্ত আমার চিন্তা যাচ্ছে না। তাই আমি ব্যাপার টা এস্কেলেট করছি। তুমি আমাকে জানাও আর কোনরকম ডিসকাশন ছাড়া আগামী ১৫ মিনিটের মধ্যে তুমি আসছো কিনা। আমি ১৫ মিনিট অপেক্ষা করব, এরপর আমি তোমার কনসালটেন্টকে ফোন করব, কারণ বাই প্রটোকল রেজিস্ট্রারের পরের কল সে পাবে। আর যেহেতু আমি ব্যাপারটা এস্কেলেট করছি সো আমাকে আমার ডিরেক্টরকেও জানাতে হবে। সো তুমি আমাকে জানাও। বাঘিনী ঘায়েল হল। কারণ উপর মহলে গেলে আমার যত দোষই থাকুক, ডাকার পরেও আসেনি শুধু এই কারণে তার সমস্যা হবে।

বাঘিনী সুন্দরভাবে জানালো সে চায় না তার কারণে এত রাতে আমি সবাইকে ঘুম থেকে তুলে ছোট ব্যাপারটা বড় করি। ১৫ মিনিটের মাঝে সে এল। নিজে রোগী পরীক্ষা করে, নিজে আবার সনোগ্রাম করে রোগী তার আন্ডারে ভর্তি করে নিল। দুই ঘন্টা খেটে সে ভোরে বাসায় গেল এবং যাওয়ার আগে একটা স্বভাব সুলভ ধন্যবাদ দিয়ে গেল। আমি সকালের শিফটে হ্যান্ডওভার করে গত রাতের ঘটনা বিস্তারিত লিখে কনসালটেন্টকে ইনসিডেন্ট রিপোর্ট করে বাসায় যেয়ে ঘুম দিলাম।

পরের দিন কিছুই হল না। দুই দিন পর জ্যাকব (আরেকজন কনসালটেন্ট) আমাকে ডাকালো। 
- তারিক, হাই বাডি, কী অবস্থা? 
- এইতো জ্যাকব, ভালো। তুমি কেমন? 
- খুবই ভালো। শুনলাম তুমি ইদানীং নাইট শিফটে খুবই মানুষজনের সাথে ফোনে প্রেমালাপ করছো...। আমার বুঝতে বাকি রইল না কি নিয়ে কথা হচ্ছে। বুঝলাম বাঘিনী কেসটা সে রিভিউ করেছে! 
- আমি চিমসে যেয়ে বললাম, কই না তো। 

হা হা হা। ব্যাপার না। তোমার জন্য দুটো নিউজ আছে- একটা ভালো, আরেকটা খারাপ। বল কোনটা আগে শুনবে? 
- আমি ভয়ে ভয়ে বললাম, ভালোটাই আগে শুনি। 
- তোমার তিন দিন আগে একটা কেস যেভাবে সিস্টমেটিকভাবে আর্গুমেন্ট করে এস্কেলেট করে গাইনীর রেজিস্ট্রারকে শেষ পর্যন্ত এনেছ, দ্যাট ওয়াজ একসিলেন্ট। ভেরী গুড। আমরা চাই আমাদের জুনিয়ররা এভাবেই প্রফেশনাল অর্গুমেন্ট করুক। এরপর থেকে কখনই ভয় পাবে না। রাতে তোমার বিন্দুমাত্র রোগী নিয়ে সংশয় হলে ডোন্ট হেসিটেট টু কল, ওকে বাডি? 

আমার মুখ উজ্জ্বল! বললাম, ওকে! থ্যাংকস আমাকে ব্যাকআপ করার জন্য। 
- এবার কি খারাপ খবরটা শুনবে? 
- আমি হাসি মুখেই বললাম, বলো।
- যে গাইনির রেজিস্ট্রারকে বিছানা থেকে তুলে এনেছ তুমি কি জানে সে কে? 
- না, কে সে?
- তোমার ডিরেক্টরের বউ! তুমি রাত তিনটায় তোমার বসের বিছানা থেকে তার বউকে মোটামুটি জোরজবরদস্তি করে তুলে এনেছো! হা হা হা! এনজয় বাডি!

আমি কিছুক্ষণের জন্য শোকে দশ কেজির বাটখারা হয়ে গেলাম। মাননীয় স্পীকারের দশা আমার! সামনের সপ্তাহে ডিরেক্টরের সাথে আমার মিড ইয়ার পারফরম্যান্স রিভিউ। রাত তিনটায় বাঘের বিছানা থেকে বাঘিনীকে তুলে এনেছি, বাঘ কী পরিমান ক্ষেপেছে একথা ভাবতেই গা শিরশির করছে।

ডক্টর লিস্টটা আবার দেখলাম। আমার ডিরেক্টরের নাম দিলীপ কুমার। তার বউয়ের নাম অমিতা রায়। মনে মনে ভাগ্যকে গালি দিচ্ছি আর ভাবছি, বিয়ে করে ৯৯ ভাগ হিন্দু মেয়ে টাইটেল পরিবর্তন করে, এই বাঘিনী কেন করলো না! নামের পাশে কুমার দেখলেই তো আমি আর তাকে ঘাটাতাম না।

পুনশ্চ: রোগী ভালো আছে। ডিরেক্টর রিভিউ খারাপ দেয়নি। শুধু আমার দিকে এক প্রশ্নভরা চাহনি দিয়েছে, যার অর্থ অনেকটা এরকম- ‘আমি তোমাকে নিয়ে হতাশ তারিক। বসের বউ যে বিগ বস এ ব্যাপারটা তুমি কবে অনুধাবন করবে?’

মেডিভয়েসকে বিশেষ সাক্ষাৎকারে পরিচালক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শতাধিক করোনা বেড ফাঁকা

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
তুমি সবার প্রফেসর আবদুল্লাহ স্যার, আমার চির লোভহীন, চির সাধারণ বাবা
পিতাকে নিয়ে ছেলে সাদি আব্দুল্লাহ’র আবেগঘন লেখা

তুমি সবার প্রফেসর আবদুল্লাহ স্যার, আমার চির লোভহীন, চির সাধারণ বাবা

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 
কিডনি পাথরের ঝুঁকি বাড়ায় নিয়মিত অ্যান্টাসিড সেবন 

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 

ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা মিডিয়ায় আসে না
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের সিসিউতে ভয়ানক কয়েক ঘন্টা

ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা মিডিয়ায় আসে না