ঢাকা      মঙ্গলবার ১৩, নভেম্বর ২০১৮ - ২৯, কার্তিক, ১৪২৫ - হিজরী

পেটে রেখেই ২ শিশুর মেরুদণ্ডে অস্ত্রোপচার!

মেডিভয়েস ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ডের পর এবার যুক্তরাজ্যে মায়ের পেটে রেখেই দুই শিশুর মেরুদণ্ডে অস্ত্রোপচার করেছেন চিকিৎসকেরা।  যুক্তরাজ্যের দাতব্য সংস্থা শাইন এর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

সুত্রে বলা হয়েছে, লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ হাসপাতালের ৩০ জন চিকিৎসকের একটি দল ওই অস্ত্রোপচার করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ডের মতো কয়েকটি দেশে এমন অস্ত্রোপচার হয়ে থাকে। যুক্তরাজ্যে এ ধরনের অস্ত্রোপচার এটাই প্রথম।

যুক্তরাজ্যের দাতব্য সংস্থা শাইন-এর তথ্যমতে, দেশটিতে প্রতিবছর দুই শর বেশি শিশু স্পাইন বিফিডা সমস্যা নিয়ে জন্মায়। যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ বলেছে, এ ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে অনেক শিশুরই স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে নড়াচড়া, চলাফেরায় সমস্যা হয় তাদের। কারও কারও ক্ষেত্রে পক্ষাঘাতেরও কারণ হয় এটি।

জানা যায়, শিশু দুটির স্পাইনা বিফিডা নামের একটি সমস্যা ছিল। এ ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে শিশুর মেরুদণ্ড ঠিকভাবে গঠিত হয় না। মেরুদণ্ডের অস্থিসন্ধির ভেতরে ফাঁকা জায়গা থেকে যায়। সাধারণত শিশুর এ ধরনের সমস্যার চিকিৎসা জন্মের পর করা হয়। তবে জন্মের আগেই এমন সমস্যার চিকিৎসা করা গেলে শিশুর জন্য অপেক্ষাকৃত ভালো।

চিকিৎসকেরা বলেছেন, তারা মাতৃগর্ভ কেটে এর ভেতর থাকা শিশু দুটির মেরুদণ্ডের অস্থিসন্ধির মধ্যে থাকা ফাঁক সেলাই করে দিয়েছেন। শিশু দুটির অস্ত্রোপচারে ৯০ মিনিট সময় লেগেছে। তবে এ ধরনের অস্ত্রোপচার ঝুঁকিপূর্ণ বলে মানছেন তারা।

চিকিৎসক দলের সদস্য ইউনিভার্সিটি কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক অ্যান ডেভিড বলেন, ‘অস্ত্রোপচারের আগে আমরা দুই গর্ভবতী মাকে কিছু ওষুধ দিয়েছিলাম। এরপরও ঝুঁকি রয়ে গিয়েছিল।’ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুই মা এবং তাদের গর্ভে থাকা শিশুরা ধীরে ধীরে অস্ত্রোপচারের ধকল সামলে উঠছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

অস্ট্রেলিয়ায় আলাদা হল যমজ শিশুকন্যা

অস্ট্রেলিয়ায় আলাদা হল যমজ শিশুকন্যা

মেডিভয়েস ডেস্ক:ভুটানের দুই যমজ শিশু কন্যাকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার একদল চিকিৎসক তাদেরকে…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর