ঢাকা      বৃহস্পতিবার ১৫, নভেম্বর ২০১৮ - ১, অগ্রাহায়ণ, ১৪২৫ - হিজরী

ডিআরইউতে ক্যান্সার বিষয়ক ক্যাম্পেইন

৩০ বছর বয়সের পর বিয়ে হলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি!

মেডিভয়েস রিপোর্ট: নিঃসন্তান নারীদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। এছাড়া বেশি বয়সে সন্তান নিলেও নারীদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে। বিশেষ করে ৩০ বছর বয়সের পর বিয়ে ও প্রথম সন্তানের মা হওয়া স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। 

বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে ‘ক্যান্সার জিজ্ঞাসা ও স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন এসব কথা বলেন। 

ডিআরইউর সভাপতি সাইফুল ইসলাম সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলী শুভর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন, নবজাতক সন্তানকে নিয়মিত বুকে দুধ খাওয়ালে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বহুলাংশে কমে যায়। কারণ, স্তন ক্যান্সার হওয়ার জন্য বিভিন্ন ফ্যাক্টর কাজ করে। তবে স্তন ক্যান্সারের সবচেয়ে বেশি দায়ী হচ্ছে সন্তানকে বুকের দুধ না খাওয়ানো। তাই সকল মাকে স্তন ক্যান্সারকে এড়িয়ে চলার জন্য সন্তানকে নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত। 

শাকসবজি ও ফলমূল না খেয়ে চর্বি ও প্রাণীজ আমিষ জাতীয় খাবার বেশি খেলে স্তান ক্যান্সার বেশি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

‘স্তন ক্যান্সার সচেতনতার মাস’ উপলক্ষে পুরো অক্টোবরজুড়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ডিআরইউর নারী সদস্য ও সদস্যদের পরিবারের (নারী) জন্য প্রাথমিক পরীক্ষারও (স্ক্রিনিং) ব্যবস্থা রয়েছে। ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিনসহ আরও দুইজন নারী চিকিৎসক স্তন ক্যান্সার বিষয়ক প্রশ্ন জিজ্ঞাসার উত্তর ও স্ক্রিনিং-এ অংশ নেন।  ওই ক্যাম্পেইনে ডিআরইউ সদস্য ও পরিবারের সদস্যরা (নারী) ফ্রি বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নেন।


ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন, একটা সময় বলা হতো, ক্যান্সারের কোন অ্যান্সার নাই। কিন্তু আমরা বলি, সেই দিন এখন আর নাই। অবশ্যই আমাদের কাছে অনেকগুলো অ্যান্সার আছে। আমরা বলি, ব্রেস্ট ক্যান্সার এই মুহুর্তে একটা রিচ ফ্যাক্টর। ব্রেস্ট ক্যান্সারের বেলায় দুই ধরনের ফ্যাক্টর আছে। একটা হলো আমরা চাইলেই এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। আর কিছু আছে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। এগুলোতে আমাদের কোন হাত নাই। 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে প্রতিবছর নতুন করে ১লাখ ৫০ হাজার ৭৮১ জন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে ১৭ হাজারেরও বেশি নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। নারী ক্যান্সার রোগীদের মধ্যে আক্রান্তের হার শতকরা ১৯জন।

আরও পড়ুন

৩০ বছর বয়সের পর বিয়ে হলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি!

ব্রেস্ট ক্যান্সার সম্পর্কে জেনে নিন 

►স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত ৭০ ভাগ নারীই বিনা চিকিৎসায় মারা যান

ক্যানসার রোগীদের জন্য কিছু একটা করতে পেরেছি-অ্যালিসন

‘আমার হাতে কি বছর দশেক সময় আছে, ডক্টর?’

বাংলাদেশে মৃত্যুর ষষ্ঠ প্রধান কারণ ক্যান্সার

ক্যান্সার সচেতনতায় আনোয়ার খান কলেজের কর্মসূচি ২ অক্টোবর শুরু

বছরে তিন লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

চট্টগ্রাম মেডিকেলের কিংবদন্তি অধ্যাপক ডা. মাহতাব হাসান আর নেই

চট্টগ্রাম মেডিকেলের কিংবদন্তি অধ্যাপক ডা. মাহতাব হাসান আর নেই

মেডিভয়েস রিপোর্ট: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিনের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও কিংবদন্তি চিকিৎসক…

সারা দেশের চিকিৎসকদের জন্য সতর্কতা জারি

সারা দেশের চিকিৎসকদের জন্য সতর্কতা জারি

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট:  সারা দেশের চিকিৎসকদের বিষয়ে জরুরি সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়। এ…

নির্বাচনের আগেই সাত হাজার ডাক্তার নিয়োগ

নির্বাচনের আগেই সাত হাজার ডাক্তার নিয়োগ

মেডিভয়েস রিপোর্ট: আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগেই সাত হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেয়ার কথা…

অক্সফোর্ডের অধ্যাপক হলেন ডা. খান মো. আবুল কালাম আজাদ

অক্সফোর্ডের অধ্যাপক হলেন ডা. খান মো. আবুল কালাম আজাদ

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বিশ্ববিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনারারি অধ্যাপক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ঢাকা মেডিকেল…

ফেসবুকে ডা. হাবীবুল করিম শাওনের শেষ স্ট্যাটাস

ফেসবুকে ডা. হাবীবুল করিম শাওনের শেষ স্ট্যাটাস

মেডিভয়েস রিপোর্ট: যশোর মেডিকেল কলেজ থেকে সদ্য পাস করা ডা. হাবীবুল করিম…

পদোন্নতি পেলেন ৬০ চিকিৎসক

পদোন্নতি পেলেন ৬০ চিকিৎসক

মেডিভয়েস রিপোর্ট: স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ৬০ জন চিকিৎসককে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। বুধবার (৭ নভেম্বর) এ বিষয়ে…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর