ঢাকা শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬,    আপডেট ৪১ মিনিট আগে
অধ্যাপক ডা. রাশিদা বেগম

অধ্যাপক ডা. রাশিদা বেগম

ইনফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞ


১৫ অক্টোবর, ২০১৮ ১৬:০০

ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে চান্স না পেলে এখন মেডিকেলে পড়ে!

ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে চান্স না পেলে এখন মেডিকেলে পড়ে!

মেইড ইন চায়না এখন শুধু জিনিসপত্রেই সীমাবদ্ধ নেই। শুরু হয়েছে হিউম্যান রিসোর্স তৈরিতেও। তার একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং উল্লেখযোগ্য সেক্টর হল চিকিৎসক তৈরি। বাংলাদেশের প্রচুর ছেলেমেয়ে চায়না থেকে ডাক্তার হয়ে আসে। এই মেইড ইন চায়নার চিকিৎসকরা যে কতখানি ভরসার জায়গা হবে তা আল্লাহ্‌ই মালুম।

পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। কয়েকস্তরের চিকিৎসক তৈরিতে বাংলাদেশ চাইনীজ প্রোডাক্ট তৈরির মতই ওঠে পড়ে লেগেছে। মালিকদের সহায়তায় নাম্বার চেঞ্জ করে মেডিকেল কলেজে ভর্তি করেছে। কী ভয়াবহ!

দেশ এখন সরকারি বেসরকারি মিলে মেডিকেল কলেজে সয়লাব। আগে মেডিকেলে চান্স না পেলে ছেলেমেয়েরা ঢাকা ইউনিভার্সিতে পড়ত। এখন ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে চান্স না পেলে মেডিকেলে পড়ে। কারণ মেডিকেল কলেজের অন্ত নেই। শিক্ষক লাগে না, সরঞ্জামাদি লাগে না, রোগী লাগে না শুধু বিল্ডিং আর ছাত্র ছাত্রী হলেই ডাক্তার বানানো যায়।

চাইনিজ প্রোডাক্টের মত এই ১ নাম্বার থেকে ১৪ নাম্বার পর্যন্ত ডাক্তার বানানোর জন্য উপর মহলের এই আগ্রহের হেতু কী? শুধু নিজেদের পকেট ভারী করা? এসব দেশ প্রেমিকরা কোয়াক এবং মেডিকেল সাহায্যকর্মীদের নানারকম অপকর্মের সুযোগও দিচ্ছে। ১৪ নাম্বার পর্যন্ত ডাক্তারও বানাচ্ছে, ডাক্তার না হলেও ডাক্তারি সনদও দিয়ে দিচ্ছে। ফলাফল যে কী মারাত্মক হতে যাচ্ছে কেউ ভাবছে না।

একদিকে ডাক্তারদের সব রকম সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে, অন্যদিকে বিভিন্ন প্রভাবে ১৪ নাম্বাররা ১ নাম্বারকে ল্যাং মেরে পোস্ট পজিশন দখল করছে। আস্তে আস্তে এই সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখে মেডিকেল বিমূখ হচ্ছে অনেক সম্ভাবনাময় ছেলে মেয়েরা।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত