ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬,    আপডেট ৫৮ মিনিট আগে
০৮ অক্টোবর, ২০১৮ ১২:০১

নীলফামারীর সজিব চন্দ্র রায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় তৃতীয়

নীলফামারীর সজিব চন্দ্র রায় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় তৃতীয়

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট: এ বছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রমে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন সজিব চন্দ্র রায়। তিনি নীলফামারীর সৈয়দপুর কারিগরী কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। 

মেডিকেল ভর্তিতে দেশের শীর্ষে থাকার প্রতিক্রিয়ায় সজিব চন্দ্র রায় বলেন, এ রেজাল্টের কারণে আমি প্রথমেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই আমার সৃষ্টিকর্তার কাছে, এরপর আমার বাবা-মায়ের কাছে। এরপর আমি কৃতজ্ঞ থাকতে চাই আমার শিক্ষক ও গুরুজনদের কাছে।  

মেডিকেলে ভর্তি প্রসঙ্গে সজিব বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়া। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে আমি ভবিষ্যতে ভালো ডাক্তার হয়ে দেশের মানুষের উপকার করতে পারি।

প্রসঙ্গত, এ বছর এমবিবিএস প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ইশমাম সাকীব অর্ণব। তার টেস্ট স্কোর ৮৭.০০। তার গ্রামের বাড়ি খুলনার ফায়ার ব্রিগেড রোড এলাকায়।

জাতীয় মেধায় ১ম হওয়া এ মেধাবী তরুণ খুলনার সেন্ট জোসেফ স্কুল থেকে এসএসসি ও এম এম সিটি কলেজ থেকে এইচএসএসসি কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন।

আর ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন উম্মে শেফা আইরিন। এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় তার টেস্ট স্কোর- ৮৫.৭৫।

তার বাবার নাম শাহ মোহাম্মদ ইদ্রিস ও মা নূর নাহার বেগম। তিনি চট্টগ্রাম গভর্নমেন্ট গার্লস হাইস্কুল থেকে এসএসসি ও চট্টগ্রাম কলেজ থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন।

এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় চতুর্থ হয়েছেন শেখ সাজিদ সোহাইল ধ্রুব। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবেন। শেখ সাজিদ সোহাইল ধ্রুব ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার শেখ মো. শাহীন রেজা ও মা ধ্রুবা সুলতানার ছেলে। তার বাবাও পেশায় একজন চিকিৎসক ও মা গৃহিনী। সাজিদের  বাবা ডা. শেখ মো. শাহীন রেজা  ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ছাত্র ছিলেন।

ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে এসএসসি ও আনন্দমোহন কলেজ থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন সাজিদ।

 আরও পড়ুন

►মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম খুলনার ইশমাম সাকীব অর্ণব

►মেডিকেলে ভর্তিচ্ছুদের প্রতি মেধা তালিকায় দ্বিতীয় আইরিনের কথা

►এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশ

►মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় মাইনাস ১৮!

 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত