ঢাকা      মঙ্গলবার ১৮, জুন ২০১৯ - ৪, আষাঢ়, ১৪২৬ - হিজরী



ডা. মোঃ মাকসুদ উল্যাহ্‌

চিকিৎসক, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল


‘প্যারাসিটামল ইনজেকশন প্রসঙ্গে’

প্যারাসিটামল ইনজেকশন প্রথমবার ব্যবহারের ছয় ঘন্টার মধ্যেই বাকি অংশ নষ্ট হয়ে যায়। ভায়ালের গায়ে লেখা আছে এক ঘন্টা পরেই যেন আর ব্যবহার করা না হয়। শিশুদেরকে এ ইনজেকশন প্রতি আট ঘন্টায় সেবন করতে ব্যবস্থাপত্র লেখা হয়। 

শিশুদের এই ইনজেকশন প্রত্যেক ডোজে দরকার হয়, ৬০-৭০ মিলিগ্রাম। কিন্তু প্রত্যেক ভায়ালে থাকে ১০০০ (এক হাজার) মিলিগ্রাম। ফলে দিনে তিনবার ১২০ টাকা করে ৩৬০ টাকার তিনটি ভায়াল কিনে তিন হাজার মিলিগ্রাম ওষুধের মধ্যে মাত্র ১৮০ মিলিগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 

শিশুর জন্য প্রতিদিন ৩৬০ টাকার প্যারাসিটামল ইনজেকশন কিনে ৩৩৮ টাকার বেশিই নষ্ট হয়। দেশি তিনটি কোম্পানী প্যারাসিটামল ইনজেকশন তৈরি করে। তার মধ্যে একটিমাত্র কোম্পানীর প্রতি ভায়ালে ইনজেকশন প্যারাসিটামল ৫০০ মিলিগ্রাম থাকলেও তা বাজারে সরবরাহ নাই মর্মে ফার্মেসি থেকে জানা যায়। বিষয়টি খুবই বিব্রতকর এবং মারাত্মক অপচয়।

তাই শিশুদের জন্য প্রতি ভায়ালে প্যারাসিটামল ইনজেকশন ১০০ (একশত) মিলিগ্রাম বাজারজাত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


সম্পাদকীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

‘দুর্বল পরিকল্পনার কারণে স্বাস্থ্যে সর্বনিম্ন বরাদ্দ’ 

‘দুর্বল পরিকল্পনার কারণে স্বাস্থ্যে সর্বনিম্ন বরাদ্দ’ 

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২৫…

স্বাস্থ্য বাজেট '১৯: আমার ভাবনা

স্বাস্থ্য বাজেট '১৯: আমার ভাবনা

বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নে সরকারের ভুমিকা খুবই গুরুত্বপুর্ণ। দেশের দরিদ্র…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর