ঢাকা      বৃহস্পতিবার ১৫, নভেম্বর ২০১৮ - ১, অগ্রাহায়ণ, ১৪২৫ - হিজরী

কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

মেডিভয়েস ডেস্ক: ভারতের কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে হাসপাতালের ভবনে একটি ওষুধের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

যে ভবনে আগুন লেগেছে সেখানে কার্ডিওলজি, আইসিইউ ও মেডিসিন বিভাগ রয়েছে। তার পাশেই রয়েছে অক্সিজেন স্টোর। রোগীদের তাৎক্ষণিক নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। উদ্ধারকর্মীরা প্রায় আড়াইশ রোগীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছেন।  খবর এনডিটিভির।

কলকাতা মেডিকেল কলেজ ১৮৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের দ্বিতীয় প্রাচীন হাসপাতাল এটি।

এনডিটিভি জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ১০ ইউনিট যোগ দেয়।  ঘটনার সময় পুরো হাসপাতাল চত্বর ধোঁয়ায় ভরে যায়। এ সময় রোগীদের নামিয়ে আনার সময় অনেক ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত স্ট্রেচারও পাওয়া যায়নি। চাদরে করে রোগীদের নিয়ে আসতে দেখা গেছে। তাদের খোলা আকাশের নিচে মাটিতে চাদর পেতে রাখা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে দমকল বাহিনী জানিয়েছে, বেশি ধোঁয়া থাকায় দমকল কর্মীরাও ভেতরে ঢুকতে পারছিলেন না। পরে গ্যাস মাস্ক পরে তারা বিল্ডিংয়ের ভেতরে ঢুকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। 

ঘটনাস্থলে বিপর্যয় মোকাবেলায় কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর জওয়ানরাও এগিয়ে আসেন। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি লেগে যায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে। আগুন লাগার পর রোগীদের কাউকে হাঁটিয়ে, কাউকে চাঁদরে মুড়ে নিয়ে আসা হয় বাইরে। বহু রোগীকে রাখা হয়েছে খোলা আকাশের নিচে।

কলকাতা মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, রোগীরা বর্তমানে নিরাপদ। আমরা এ ঘটনা খতিয়ে দেখছি।  

এর আগে ২০১১ সালের ডিসেম্বরে কলকাতা এ এম আরআই হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এর মধ্যে দুই নার্স বেশিরভাগই ঘুমন্ত অবস্থায় অগ্নিকান্ডে পুড়ে ছাই হয়ে যান।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

অস্ট্রেলিয়ায় আলাদা হল যমজ শিশুকন্যা

অস্ট্রেলিয়ায় আলাদা হল যমজ শিশুকন্যা

মেডিভয়েস ডেস্ক:ভুটানের দুই যমজ শিশু কন্যাকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার একদল চিকিৎসক তাদেরকে…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর