১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১২:৩৪ পিএম

ঢাকা মেডিকেলের ডা. ফজলে রাব্বী হলে মৃত্যু ফাঁদ!

ঢাকা মেডিকেলের ডা. ফজলে রাব্বী হলে মৃত্যু ফাঁদ!

ঢাকা মেডিকেল কলেজের শহীদ ডা.ফজলে রাব্বী হলের অধিকাংশ রুমেই ফাটল ধরেছে। কোথাও ভবনের বিভিন্ন রুমের ছাদ খসে পড়ছে। এমন অবস্থায় মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে বাস করছেন দেশসেরা প্রায় ৭শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থী। এ বিষয়ে সরেজমিন ঘুরে এসে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন মামুন ওবায়দুল্লাহ

ডা. ফজলে রাব্বী হলটি নির্মাণ করা হয়েছিল ১৯৬০ সালে। চারতলা ভবনের এ ছাত্রাবাসে কক্ষ আছে ২২৫টি।  সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ফজলে রাব্বী হলের তৃতীয় তলার ৩৩৫ নম্বর রুমের ছাদের পলেস্তার খসে পড়ছে। শিক্ষার্থীদের বিছানায় পড়ে আছে ইটবালির আস্তর।  এছাড়া ভবনের চতুর্থ তলার দক্ষিণ অংশে কক্ষগুলোও ঝুঁকিপূর্ণ।

প্রায় ৩০টি কক্ষের ছাদ ও দেয়াল থেকে পলেস্তারা খসে পড়েছে। ঢাকা মেডিকেলের এ আবাসিক হলের শিক্ষার্থী রৌদ্ররঞ্জন দাস মেডিভয়েসকে বলেন, প্রায়ই এ ধরণের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি হল সুপারকে অবহিত করা হয়েছে। তবে খুব একটা কাজ হয়নি। ঢাকা মেডিকেলের এ আবাসিক হলের একাধিক শিক্ষার্থী মেডিভয়েসের কাছে জানিয়েছেন, প্রায়ই ঘুমের মধ্যে ছাদ থেকে পলেস্তার খসে পড়ে। এটি নিয়মিত ঝুঁকির বিষয়ে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ,বিষয়টি বারবার কর্তৃপক্ষকে বলেও কোন সুরাহা হয়নি।

ঢাকা মেডিকেলের আরেক শিক্ষার্থী সোহেল রানা মেডিভয়েসকে বলেন, ‘একবার বিষয়টি হল সুপারকে জানানো হয়েছিল, তিনি নিজে এসে বিষয়টি দেখে গেছেন।  এই পর্যন্ত আর কোনো খবর নাই। তবে দ্রুত সময়ে এর সমাধান বা সংস্কার করা দরকার।  না হয় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।’

বিষয়টি নিয়ে হল সুপার ডা. হাসানুর রহমানের  কাছে জানতে চাইলে তিনি মেডিভয়েসকে বলেন, ‘এ বিষয়ে একটা কমিটিও করা হয়েছে, যা হল সুরক্ষা কমিটি নামে পরিচিত। ওই কমিটি একবার পরিদর্শন করে গেছেন। ভবনগুলো অনেক বছর সংস্কার করা হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সংস্কার না করার কারণে ভবনগুলো অনেকটা নড়বড়ে হয়ে গেছে।’

সংস্কার না হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হল সংস্কারের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে কোনো বাজেট পাই না, ফলে এ ভবনগুলো সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। আর গত তিনবছর ধরে কোন ফান্ড আসে নাই।’ তবে বিষয়টি উপরমহল অবগত আছে বলেও জানান হল সুপার ডা.হাসানুর রহমান।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আবুল কালাম আজাদ মেডিভয়েসকে বলেন, ‘হলে রুমের কোন সংকট নেই। রাজনৈতিক কারণেই ওই রুমগুলোতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঠেলে দেয়া হচ্ছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করবো। দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে আমরা ফজলে রাব্বী হল সুরক্ষা ও সংস্কারে একটা কমিটি করেছি। সেখানে জুনিয়র শিক্ষকরা আছেন, তারা পরিদর্শন করে দেখবেন, কোন রুম যদি বাসের অনুপযোগী হয় তাহলে সেগুলো চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক সিল করে দেবো। তৃতীয় কথা হচ্ছে যে সমস্ত রুমে সমস্যা আছে সেগুলোকে আগে বৈদ্যুতিক লাইন সংস্কার করবো। তারপর আমরা দেয়ালের সংষ্কারে হাত দিবো। আশা করি খুব শিগগিরই এর মধ্যে করা যাবে।’

অর্থ সংকট আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ঢামেক অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘অর্থ থাকলেও আমরা কাজে হাত দিতে পারবো না। কারণ সরকারের নিজস্ব ঠিকাদার আছে, প্রকৌশলী আছেন তারাই মূলত করে থাকেন। এছাড়া এই মুহূর্তে অর্থের সংকটও আছে।’

Add
একজন এফসিপিএস পরীক্ষা উত্তীর্ণ চিকিৎসকের অনুভুতি

পরীক্ষা প্রস্তুতির শেষের কয়েকদিন মেয়ের সাথে দেখা করতে পারিনি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা

চীনে রহস্যজনক ‘করোনা ভাইরাসে’ দ্বিতীয় মৃত্যু

একজন এফসিপিএস পরীক্ষা উত্তীর্ণ চিকিৎসকের অনুভুতি

পরীক্ষা প্রস্তুতির শেষের কয়েকদিন মেয়ের সাথে দেখা করতে পারিনি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা

চীনে রহস্যজনক ‘করোনা ভাইরাসে’ দ্বিতীয় মৃত্যু

একজন এফসিপিএস পরীক্ষা উত্তীর্ণ চিকিৎসকের অনুভুতি

পরীক্ষা প্রস্তুতির শেষের কয়েকদিন মেয়ের সাথে দেখা করতে পারিনি

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি