ঢাকা      মঙ্গলবার ২১, মে ২০১৯ - ৬, জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ - হিজরী

চিকিৎসক সংকট নিরসনে কিছু পদক্ষেপ

উপজেলা পর্যায়ে সবসময় চিকিৎসক সংকট একটি বড় সমস্যা। এই সমস্যা অনেকাংশে কাটিয়ে তোলা যেত:

*যদি উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত চিকিৎসকদের চাকরিকালীন সময়কে তাদের উচ্চ শিক্ষার জন্য ট্রেনিং পিরিয়ড হিসেবে গণ্য করা হত। পুরো ২ বছর সময়কাল না হলেও অন্তঃত ১ বছর সময়কালকে (মেডিসিন, সার্জারি,গাইনী) ট্রেনিং পিরিয়ড হিসেবে গণ্য করা হলেও হতো।

* ট্রেনিং হিসেবে গণ্য করার জন্য সবগুলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবকাঠামোর উন্নয়ন সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সংস্কার সাধন করা হোক।

* যদি ১ বছর সময়কাল ও ট্রেনিং পিরিয়ড হিসেবে গণ্য করা হতো তাহলে চিকিৎসকগণ উচ্চশিক্ষার জন্য দু:শ্চিন্তামুক্ত হয়ে স্বাস্থ্য সেবা দিতে পারত।

* নূন্যতম ২ বছর উপজেলা লেভেলে চাকরি করার পর সে এমসিপিএস, ডিপ্লোমা পরীক্ষা দেয়ার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হতো।

* যারা একাডেমিক ক্যারিয়ার গড়তে ব্যর্থ হবে বা আগ্রহী নয় বরং এডমিনিস্ট্রেটিভ ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী তাদের জন্য ও বিশেষ প্রণোদনা দিতে হবে।

* চাকরির মেয়াদ ২ বছর পূর্ণ হলে তাকে সিনিয়র মেডিকেল অফিসার পদে পদোন্নতি দেয়া হোক, তার মূল বেতন ২০০০/- টাকা হলেও বর্ধিত করা হোক।

* চাকরির মেয়াদ ৫ বছর পূর্ণ হলে তাকে চিফ মেডিক্যাল অফিসার পদে পদোন্নতি দেয়া হোক এবং তাদের ৯ম গ্রেড থেকে ৭ম গ্রেডে উন্নীত করা হোক।

* চাকরির মেয়াদ ১০ বছর পূর্ণ হলে ইউএইচএফপিও পদে পদোন্নতি দেয়া হোক, তাদের ৫ম গ্রেডে উন্নীত করা হোক।

* পদোন্নতির জন্য তাদের চাকরিকালীন সময়ে তাদের পারফর্মেন্স এর মূল্যায়ন করা হোক, সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড গঠন করে পদোন্নতি দেয়া হোক।

যদি এই সুযোগ সুবিধা দেয়া হয় তাহলে উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা দিতে এবং উপজেলায় থাকতে আগ্রহী হবে চিকিৎসকরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 




জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর