২৫ অগাস্ট, ২০১৮ ১১:৫১ এএম

বাংলাদেশে কেন বাড়ছে সিজারিয়ান প্রসব?

বাংলাদেশে কেন বাড়ছে সিজারিয়ান প্রসব?

বাংলাদেশ মাতৃমৃত্যু হার জরিপ ২০১৬ অনুযায়ী, সাত বছরে দেশে সিজারিয়ান প্রসবের হার বেড়েছে ১৯ শতাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, যে কোন দেশে সিজারিয়ান প্রসব মোট প্রসবের ১০-১৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত থাকা উচিত।বাংলাদেশে সিজারিয়ান প্রসবের হার ৩১ শতাংশ। এটি স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে দ্বিগুণ।

এ বিষয়ে গাইনী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সায়েবা আকতার জানান, সবার টলারেন্স কমে গেছে, আমার যেটা মনে হয়, রোগীদের, রোগীর আত্বীয়দের এবং ডাক্তারদেরও ধর্য্যও কমে গেছে। সিজারিয়ান বাচ্চার জন্মের সময় মাথায় চাপ পড়ে না তাই বাচ্চা মেধাবী হবে, শিক্ষিত মায়েদের মধ্যে এমন ধারনা খুবই কাজ করে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে জুনিয়র ডাক্তারদের উপর চাপ থাকে সিজার করানোর জন্য। বর্তমানে বাংলাদেশে বছরে ১০ লক্ষের বেশি সিজারিয়ান প্রসব হচ্ছে, যার ৭৯ শতাংশ হয় বেসরকারি হাসপাতালে। নরমাল ডেলিভারির বাচ্চার ফুসফুস স্বাভাবিক থাকে এবং জন্মের পর পর বাচ্চা স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু সার্জারী বিভাগের অধ্যাপক ডা. সাহনূর ইসলাম জানান, সিজারিয়ান বাচ্চা যেহেতু আগেই ডেলিভারি হচ্ছে, তাই তার ফুসফুস পুরোপুরি গঠন হয় না। সেক্ষেত্রে বাচ্চাটি শ্বাসকষ্টে ভুগবে, বড় হলে সে অ্যাজমাজনিত সমস্যায় পড়তে পারে।

সায়েকা সরওয়ার শচি জানান, সিজারের আগে অ্যাসেস্থেশিয়ার জন্য একটা ইনজেকশন দেয়া হয় কোমড়ে, ঐটা খুবই পেইনফুল। আমার বাচ্চার দুই বছর হয়ে যাচ্ছে অথচ পেইনটা আমি এখনও সহ্য করে যাচ্ছি আর আমার শারিরীক সক্ষমতাও কমে গেছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

আগের নিউজ
পরের নিউজ
স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার প্রতিবেদনে সুপারিশ

রোগী থেকে সরাসরি টাকা গ্রহণ নয়, চিকিৎসক হবেন বেতনভুক্ত কর্মচারী

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি