ঢাকা      শুক্রবার ১৭, অগাস্ট ২০১৮ - ২, ভাদ্র, ১৪২৫ - হিজরী

সর্বাধিক যক্ষ্মা রোগীর তালিকায় বাংলাদেশ সপ্তম

মেডিভয়েস রিপোর্ট : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বিশ্বের যে ৩০টি দেশে যক্ষ্মা রোগী সর্বাধিক তার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।  আগের অবস্থা থেকে রোগটি নিয়ন্ত্রণে এলেও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে হলে আরও নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।

 গতকাল সোমবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সাফল্য ও প্রতিবন্ধকতা; শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব তথ্য দেন।
এ লক্ষ্যে তারা ছয়টি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার সুপারিশ রেখেছেন।  চ্যালেঞ্জগুলো হলো- শনাক্ত না হওয়া যক্ষ্মা রোগী সেবার আওতায় না আসা, প্রয়োজনীয় জনবলের অভাব, তৃণমূল পর্যায়ে সর্বাধুনিক ডায়াগনস্টিক (রোগ নির্ণয়) ব্যবস্থার সুযোগ না থাকা, নগরে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ, এই রোগ নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি চিকিৎসকদের কম সম্পৃক্ততা ও যক্ষ্মা সনাক্তকরণ বাধ্যতামূলক না হওয়া।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, অনেক মারাত্মক রোগের ক্ষেত্রে আমরা সফলতা অর্জন করেছি। আর কিছু ক্ষেত্রে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পার্শ্ববর্তীরা তুলনামূলকভাবে উন্নত দেশ ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে আমরা স্বাস্থ্যখাতে অনেক এগিয়ে আছি।

যক্ষা রোগের ক্ষেত্রে আমাদের এখন সর্বস্তরের সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করতে হবে। যা আমরা করছিও। যাতে মানুষ এই রোগ নির্ণয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজে এগিয়ে আসে।

ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মো. সামিউল ইসলাম, ন্যাশনাল অ্যান্টি টিউবারকিউলোসিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নাটাব) প্রেসিডেন্ট মোজাফফর হোসেন পল্টু, ব্র্যাকের কমিউনিকেবল ডিজিসেস প্রোগ্রামের পরিচালক ড. মো. আকরামুল ইসলাম, জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির কো-অর্ডিনেটির ডা. রুপালী শিশির বানু।

এ বিষয়ে ব্র্যাকের কমিউনিকেবল ডিজিসেস প্রোগ্রামের পরিচালক ড. মো. আকরামুল ইসলাম বলেন, আমাদের রোগ নির্ণয়ের উপায় বা সে কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রগুলো অনেক পুরোনো। এ রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকা অবশ্য কর্তব্য। যদিও এ সরকার ১৯৩টি জিন এক্সপার্ট মেশিন ও ৬০টি এলইডি মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করা শুরু করেছে।

কিন্তু তা এই বিশাল জনসংখ্যার বিপরীতে খুবই অপ্রতুল। আমাদের কাছে কোনো নতুন ওষুধ নেই। আমরা পুরোনো আমলের ভ্যাক্সিন ও ওষুধ নিয়েই আছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এমবিবিএস ভর্তিতে সর্বনিম্ন জিপিএ ৯

এমবিবিএস ভর্তিতে সর্বনিম্ন জিপিএ ৯

মেডিভয়েস ডেস্ক: ২০১৮-২০১৯ সেশনে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে এসএসসি ও…

৪০তম বিসিএসে চিকিৎসকদের জন্যও সুখবর

৪০তম বিসিএসে চিকিৎসকদের জন্যও সুখবর

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ৪০তম বিসিএসের মাধ্যমে প্রায় আড়াই হাজার বিসিএস ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হবে।…

আর্মি মেডিকেল কোরে ক্যারিয়ারের সুযোগ

আর্মি মেডিকেল কোরে ক্যারিয়ারের সুযোগ

মেডিভয়েস ডেস্ক: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লোকবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তি…

এবার বগুড়ায় গণধর্ষণের শিকার নার্স

এবার বগুড়ায় গণধর্ষণের শিকার নার্স

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক নার্স গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এই ঘটনায়…

আরো ৩টি নতুন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আরো ৩টি নতুন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশে আরো তিনটি নতুন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করতে যাচ্ছে সরকার।  গত…

ব্যথামুক্ত নরমাল ডেলিভারি নিয়ে রাজধানীতে সেমিনার 

ব্যথামুক্ত নরমাল ডেলিভারি নিয়ে রাজধানীতে সেমিনার 

মেডিভয়েস রিপোর্ট: প্রসব বেদনার ফলে মায়ের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি সাধন হয়।…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর