ঢাকা বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬,    আপডেট ১ ঘন্টা আগে
২২ জুলাই, ২০১৮ ১১:১৩

ঈদের পর চিকুনগুনিয়াসহ বিভিন্ন রোগের পাদুর্ভাবের শংকা

ঈদের পর চিকুনগুনিয়াসহ বিভিন্ন রোগের পাদুর্ভাবের শংকা

মেডিভয়েস রিপোর্ট: আসন্ন কোরবানি ঈদের পর চিকুনগুনিয়া, ডায়রিয়াসহ নানা রোগের প্রাদুর্ভাবের আশংকা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্ষা মৌসুমে এবারের কোরবানি ঈদ অনুষ্ঠিত হওয়ায় তারা এ আশংকার কথা জানান।

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) কলাবাগান কার্যালয়ে শনিবার দুপুরে এক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা এ আশংকার কথা জানান।

মক্কা-মদিনার আদলে কোরবানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক ওই গোলটেবিলে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সোবহান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরী প্রমুখ।

ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, বর্ষা মৌসুমে এবার কোরবানি হবে তাই এবারও চিকুনগুনিয়া, ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়সহ অন্য ব্যাধি ছড়াতে পারে। তাই সিটি কর্পোরেশনের উচিৎ হবে নির্দিষ্ট জায়গায় কোরবানি নিশ্চিত করা। এর জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় পর্যাপ্ত সুবিধা যেমন- প্রশিক্ষিত কসাই, পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা করা এবং মাংস সরবরাহে পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। আর প্রতিটি হাটে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করতে যথাযথভাবে মনিটরিং করতে হবে।

 

নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি করার জন্য নগরবাসীকে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানিয়ে গোলটেবিলে আরও বলা হয়, প্রতি বছরই কোরবানির হার বাড়ছে। এবার নির্বাচনী বছর হওয়ায় সেই হার আরও বাড়বে। এবছর সারাদেশে প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ পশু কোরবানির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এখনই কোরবানি পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট বিভাগকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, প্রতি বছর ঢাকা মহানগরীসহ সারাদেশে গরু, মহিষ, ভেড়া, খাসি, দুম্বা, উটসহ ১ কোটিরও বেশি পশু কোরবানি করা হয়। ঈদের দিন থেকে পরবর্তী দুইদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে কোরবানি করা হয়। কোরবানি পশুর বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে যেখানে-সেখানে পড়ে থাকে। এতে পরিবেশ বিপর্যয়সহ জনস্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ে।

তিনি বলেন, এই পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকাতে আমাদের মক্কা-মদিনার আদলে কোরবানি করতে হবে। এসময় তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, মক্কা-মদিনায় নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি করা হয়। এবং প্রশিক্ষিত কসাই দিয়ে কোরবানি এবং পশুর চামড়া ছাড়ানোসহ যাবতীয় কাজ করা হয়। এতে বর্জ্য সঠিক জায়গায় ফেলতে সক্ষম হয়। তাই আগামী কোরবানিতে নির্দিষ্ট জায়গায় কোরবানি করতে সিটি কর্পোরেশন ও অন্য সংস্থাকে এখন থেকেই উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি নিতে হবে।

পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সোবহান বলেন, সিটি কর্পোরেশনকে নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি এবং কোরবানি পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়টি এখনই নিশ্চিত করতে হবে।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত