০১ জুলাই, ২০১৮ ০১:১৬ পিএম

মাত্র ৩জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স!

মাত্র ৩জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স!

মেডিভয়েস ডেস্ক: মাত্র ৩ জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের একমাত্র ভরসা ৫০ শয্যার শার্শা হাসপাতালটিতে নেই প্রয়োজনীয় জনবল এবং চিকিৎসা উপকরণ। প্রতিদিনই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা।

শার্শা উপজেলার একমাত্র সরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে নেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল। গত ৩ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নিত হলেও নতুন নিয়োগ দেয়া হয়নি। বহির্বিভাগে ডাক্তার না থাকায় প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাচ্ছেন রোগীরা।

তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে মেডিকেল কর্মকর্তার পদ সংখ্যা ২২টি থাকলেও খাতা কলমে ৮ জন, কর্মরত আছেন ৩ জন।

জানা যায়, শার্শার ১১টি ইউনিয়নের প্রায় ৪ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবার একমাত্র ভরসা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ১৯৬২ সালে নির্মিত হাসপাতালটি এখন শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলার মানুষের একমাত্র নির্ভরতার জায়গা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কোনো সুযোগ-সুবিধাই বাড়েনি এ হাসপাতালে। লোকবল, যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসা সামগ্রীসহ সবকিছু এখনও পুরনো ধাঁচের। হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় দুইশ রোগীর সমাগম ঘটে। গড়ে পাঁচ থেকে আটজন রোগী ভর্তি হন।

হাসপাতালটিতে একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি প্রায় এক বছর যাবৎ নষ্ট। অপারেশন থিয়েটারের যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায় গরিব ও অসহায় রোগীদের বাধ্য হয়ে ৩৬ কিলোমিটার দূরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হয়। হাসপাতালে প্যাথলজি বিভাগ থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোগীদের বাইরের ক্লিনিকে পাঠানো হয়। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার মান দিন দিন নিম্নমানের হয়ে পড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, এখানকার রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ পান না। সার্জারি রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও অপারেশন থিয়েটার ও যন্ত্রপাতির সংখ্যা বাড়েনি। হাসপাতালে নেই কোনো ডেন্টাল, গাইনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি